নাভারণে ব্যবসায়ীকে হত্যা চেষ্টা: নগদ ৭০ হাজার টাকা ছিনতাই

0
202

জসিম উদ্দিন, শার্শা : যশোরের নাভারণে শাহিন হোসেন নামে এক কাঁচামালের আড়ৎদার ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় তার কাছে থাকা নগত ৭০ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। বুধবার সকাল ৬টার দিকে শাহিন হোসেন বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে আসার পথে তার উপর এ হামলা হয়। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহত শাহিন হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার ডাঙ্গি গ্রামের আব্দুস সাত্তারের সেজো ছেলে এবং চ্যানেল এস টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার ইসমাইল হোসেনের ভাই।
সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন বলেন, গত সোমবার (৮ আগষ্ট) খাজুরা গ্রামের সুমন হোসেনের স্ত্রী আন্না খাতুন তরকারি কিনতে আসে শাহিনের আড়তে। পরের দিন আন্না খাতুন একটি একশত টাকার ছেড়া নোট এনে শাহিনকে বলে এই টাকা তুমি দিয়েছো পাল্টিয়ে দাও। শাহিনও এই ছেড়া টাকা তাকে দেয়নি বলে অস্বীকার করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। আজ সকালে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে শাহিনকে হত্যা ও ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে আসে আন্না খাতুনের স্বামী মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সুমন, একই এলাকার লিয়াকত হোসেনের ছেলে সুজন সহ ৬-৭ সন্ত্রাসী। শাহিন হোসেন কাছে এলেই আচমকা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে তারা। এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মাথায় মারাত্মক ভাবে আঘাত করে শাহিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায় তারা। এসময় শাহিনের কাছে থাকা আড়তের ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
স্থানীয়রা জানান, সুমন ও সুজন সহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারির সাথে জড়িত। মাদক কেনাবেচা সহ প্রকাশ্যে তারা মাদক সেবন করে। পাশাপাশি চুরি ছিনতাই সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত তারা।স্থানীয়রা আরো বলেন, শুধু তাই না, স্থানীয় ৯ নং উলাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের পৌষ্য সন্ত্রাসীরা তারা। তিনার মদদে এই সকল সন্ত্রাসীরা দিন দিন সুশীল সমাজের সাধারণ মানুষকে বেঁচে থাকা কঠিন করে দিচ্ছে। এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে কথা বলতে পারেন না বলে অভিযোগ করেন অনেকে।
এবিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন খান বলেন, এ সংক্রান্ত একটি মামলা হয়েছে এবং পুলিশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here