রবিউল ইসলামঃজাল-জালিয়াতের মাধ্যমে জমি আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে জামাই মুসলিম উদ্দিন পাপ্পু’র বিরুদ্ধে “সংবাদ সন্মেলন” করেছেন যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্টথানাধীন ভবারবেড় গ্রাম নিবাসী শশুর মোঃ রবিউল ইসলাম কালু। রবিবার(২১ আগষ্ট) বিকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে “একতা প্রেসক্লাব বেনাপোল”এ এই সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সন্মেলনে শশুর মোঃ রবিউল ইসলাম কালু বলেন, ” আমার তফসিলি জমি বেনাপোল মৌজার এস এ খতিয়ান ন্ং-২৭৩,আর এস খং নং-৭২৮,নামপত্তন খং নং-১৩৫৯,এস এ দাগ নং-৬০১,আর এস দাগ নং-৮৮৪ জমির পরিমান-০৫ শতক ও বোয়ালিয়া মাঠের ঘের যাহা আমি আমার পুত্র ইকবাল হোসেনের নামে রেজিস্ট্রী করে দিই। আমার কণ্যা সন্তান মোছাঃ লাভলী আক্তার,স্বামী-মুসলিম উদ্দিন পাপ্পু’র নাম উল্লিখিত জমিতে নাম অন্তর্ভূক্ত করি নাই বা রেজিস্ট্রি করে দেয় নাই। শার্শা সাব রেজিস্টার কর্তৃক যে অবিকল নকল দলিল সরবরাহ করা হয়(যা আমার হস্তগত হয়েছে),সেই দলিলের গ্রহিতা শুধুমাত্র আমার ছেলে ইকবাল হোসেনের নাম ছাড়া আমার কণ্যা সন্তানের নাম কিংবা কোন ছবি ছিল না। যার দলিল নং-৪১৭৯ তারিখ-১২/৬/২০১৬ ইং।
চাঞ্চল্যকর বিষয় হচ্ছে, ” আমার জালিয়াতি জামাই মুসলিম উদ্দিন পাপ্পু উল্লিখিত তফসিলি জমির দলিলে তার স্ত্রী মোছাঃ লাভলী আক্তার(আমার কণ্যা) এর নাম এবং ছবি সংযুক্ত করা একটি জাল দলিল আমাকে দেখিয়ে বলে এই জমির গ্রহিতা এখন ইকবাল হোসেন এবং মোছাঃ লাভলী আক্তার। আমি জামায়ের দেখানো দলিলটি যাচাই-বাছাই করে দেখি আমার প্রাপ্ত দলিলের সাথে এর কোন মিল নাই অর্থাৎ দলিলটি সম্পূর্ণ জাল করা হয়েছে। দেখানো দলিলটিতে দেখা যায় রেজিস্ট্রী’র তারিখের স্থানে কাটাকাটি, নামের স্থানে কাটাকাটি, স্ট্যাম্প ভেন্ডারের নাম নাসির লেখা হয়েছে যা সঠিক নয়, লাইসেন্স নম্বরও ভিন্ন, জাল নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প নম্বর-ঢ১৫৮২২৮২ যা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
এই জাল দলিলের বিরুদ্ধে আমি বিজ্ঞ সিনিঃ জুডিঃ ম্যাজিস্ট্রেট বেনাপোল পোর্ট আমলী আদালত,যশোর বরাবর মামলা করি। মামলা নং-সিআর ৪৬/২১।
প্রতারক এবং জাল দলিল সৃষ্টিকারী মুসলিম উদ্দিন পাপ্পু’র বিরুদ্ধে মামলা করায় সে ক্ষীপ্ত হয়ে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে,আমার বসবাস ভিটার ভাড়াটিয়াদের বিভিন্ন মাস্তান দিয়ে ভয়ভিতি দেখাচ্ছে,প্রশাসন দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে,আমার বিরুদ্ধে মিডিয়ায় বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে,মিথ্যা মামলার হুমকি দিচ্ছে,পক্ষান্তরে মাদক সম্রাট মৃত সেলিমের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে আমার মেয়ের উপর বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার শুরু করেছে। সে মিডিয়ার ছত্রছায়ায় থেকে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রমরমা মাদক পাচার করে চলেছে।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, একজন নন মেট্রিকুলেট হয়ে কি করে একটি জাতীয় টিভি তে প্রতিনিধিত্ব করে?
এ সকল বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে আজ আমি সংবাদ সন্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি,সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট আমার একটিই দাবি আমার প্রতারক জামাইকে আইনের আওতায় এনে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পুর্বক তার শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক। এ বিষয়ে জামাতা মুসলিম আলীর মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা পারিবারিক ব্যাপার। আর সম্পতি জাল করে নেওয়া যায়না। ঐ সম্পত্তি আমার স্ত্রীর অর্থে ক্রয় করা এবং যার খাজনাও পরিশোধ করা আছে। আর আমি কোন ২য় বিবাহ করিনি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বরং তিনি নিজেই কাজের মহিলাকে বিয়ে করেছিলো। যেটা আমি তালাক করানোর করাণেই আমার উপর তার রাগ। ওনার নামে কটা মামলা আছে আগে সেটা খোঁজ নেন।















