ইমদাদ হোসেন, চুড়ামনকাটি (যশোর)॥ নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশের ন্যায় যশোরেও হচ্ছে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি।এভাবে বৃষ্টি অব্যহত থাকলে যশোরের সবজি চাষীদের হবে ব্যাপক ক্ষতি। দেশের সবজি জোন হিসাবে ব্যাপক পরিচিত যশোর সদরের চুড়ামনকাটি, হৈবতপুর, লেবুতলা, ইছালী, নওয়াপাড়া ও কাশিমপুর ইউনিয়নে ইতিমধ্যে শত শত বিঘা শীতকালীন সবজি রোপন করেছে কৃষকরা।কৃষকদের ভাষ্যমতে,দিনের পর দিন এভাবে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি অব্যহত থাকলে সবজির ব্যাপক তির সম্ভাবনা রয়েছে।যাতে তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন হবে। তবে ভারী বৃষ্টিপাত না হলে তেমন ক্ষতির সম্ভবনা নেই বলে অনেক কৃষকের অভিমত।তবে সবচেয়ে বেশি শিকার হবে বীজতলার মালিকরা। যশোরের বিভিন্ন মাঠে বর্তমানে শীতকালীন সবজি রোপন ও পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সবজি চাষীরা।তারা মাঠের পর মাঠ রোপন করেছে বিভিন্ন ধরণের শীতকালীন সব সবজি।ইতিমধ্যে কিছু কিছু সবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে। কৃষকরা স্বপ্ন দেখতে থাকেন এবার শীতকালীন সবজি বিক্রি করে তারা ব্যাপক লাভবান হবেন। কিন্তু হঠাৎ তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে বাধা সাধতে শুরু করেছে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি।নিম্নচাপের কারণে টানা কয়দিন ধরে হচ্ছে এ বৃষ্টিপাত। সোমবার চুড়ামনকাটি, হৈবতপুর ও কাশিমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে মাঠের পর মাঠ কৃষকদের রোপনকৃত বাহারি সব সবজি ক্ষেতে ঠাসা।যেদিকে চোখ যাবে সেদিকে কোনোনা কোন সবজির ক্ষেত চোখে পড়বেই।মৃদু বাতাসে দুলছে সব সবজির ক্ষেত গুলো।সবজির সাথে সাথে দুলছে কৃষকের স্বপ্নও।কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে বড় বাধা নিম্নচাপের কারণে এই গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত।টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে ইতিমধ্যে সবজির ক্ষেতে জমতে শুরু করেছে পানি।এই বৃষ্টি আরো কয়েকদিন হলে সবজি চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে কৃষকরা জানান।তবে সব চেয়ে ক্ষতির শিকার হবে বানিজ্যিকভাবে সবজির চারা উৎপানকারী কৃষকরা।বৃষ্টির কারণে পুরো বীজতলা গুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
সবজি চাষীরা ক্ষেত থেকে পানি সরাতে মাঠেই ব্যস্ত সময় পার করছেন। আব্দুলপুর গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে অধিকাংশ বীজতলায় পানি জমে রয়েছে।এছাড়া করে আগাম সবজি চাষীরা হবেন বেশি ক্ষতির শিকার।হৈবতপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন,এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হবে মূলা চাষীদের।কারণ হিসাবে তিনি বলেন মূলায় একটু বৃষ্টির পানি পেলেই পচন শুরু হয়।
চুড়ামনকাটির কৃষক শহিদুল জানান, বৃষ্টি যা হয়েছে তাতে কৃষকদের তেমন ক্ষতি হবেনা। তবে এই বৃষ্টি আর কয়েকদিন অব্যহত থাকলে পটল,সিম, পটল,মূলা,পাতা কপি.বাধাঁ কপি ও বেগুন চাষীদেরও ব্যাপক ক্ষতির শংকা রয়েছে। েেত পানি জমে থাকলে সবজি গাছের গোড়ায় দেখা দেবে পচ। তিনি আরো বলেন,ক্ষেতে পানি জমে থাকলে কোন সবজিই রক্ষা করা সম্ভব হবেনা।
আব্দুলপুর গ্রামের বাঁধাকপি ও ফুল কপির চারা তৈরিকারী সফল কৃষক টিটো জানান, আগাম চারা রোপনে কয়েকদিনের বৃষ্টিতে চারা রোপনকারী কৃষকদের কয়েক ল টাকার তি সাধন হবে।
চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকতা রফিকুল ইসলাম জানান,চলমান বৃষ্টিতে এখনো কৃষকদের তেমন ক্ষতির সম্ভবনা নেই।তবে যদি কোন কৃষক বীজ তলা পলিথিন দিয়ে বৃষ্টির আগে ছাউনি দিয়ে না ঢাকে তাহলে তাদেও ব্যাপক ক্ষতি হবে। তবে ভারি বৃষ্টি হলে ক্ষতি হবে বেশি।















