মাবিয়া রহমান,মনিরামপুর প্রতিনিধিঃ যশোরের মনিরামপুরে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।গত ১১ সেপ্টেম্বর রবিবার বাবলুর রহমান নামের এক ব্যক্তি যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর উক্ত অভিযোগটি দায়ের করে।বাবলুর রহমান উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তি একই গ্রামের মৃত এরশাদ আলী মুন্সির ছেলে আবু জাফর সিদ্দিক।জাফর কাশিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। জানা যায়, কাশিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নৈশো প্রহরী পদে গত ৭/৬/২০১৫ ইং তারিখে অভিযোগকারী বাবলুর রহমান যোগদান করেন এবং সেই সময় প্রধান শিক্ষক ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে বাবলুর রহমানকে চাকরিতে যোগদান করান।পরবর্তীতে বেতন ধরানোর কথা বলে বাবলুর কাছ থেকে এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করে। এতে বাবলু টাকা না থাকায় দিতে অস্বীকার জানালে প্রধান শিক্ষক রূপালী ব্যাংক মনিরামপুর শাখা থেকে বাবলুর নামে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লোন করিয়ে নেয়। লোন করানোর সময় আড়াই লক্ষ টাকা থেকে বাবলুর রহমানকে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা দেয়নি। টাকার জন্য প্রধান শিক্ষককে রবার তাগেদ দেওয়া সত্ত্বেও টাকা ফেরত না দিয়া উল্টো চাকরি যাওয়ার ভয়ভীতি দেখায়।
অভিযোগকারী বাবলুর রহমানের ভাষ্যমতে,গত ১৭ই আগস্ট দিবাগত রাত্রে ডিউটি পালন করে অসুস্থ হয়ে পড়ে বাবলু।সকালে স্কুলের নবনির্মিত দুইতলা ভবনে বেঞ্চ তোলার জন্য তাকে ডাকা হলে
শরীর অসুস্থ থাকায় বিদ্যালয়ে যেতে অস্বীকার জানালে প্রধান শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। এ বিষয় নিয়ে পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক বাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে একটি নোটিশ জারি করার পাশাপাশি চাকরিচ্যুত করার হুমকি প্রদর্শন করে। যেহেতু চাকরি চলে যাবে সেহেতু ঘুষের টাকাসহ ধারের টাকা ফেরত চাই বাবলু। উক্ত লেনদেনের বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ বিতান্ড হলে বিষয়টি লোক জানাজানি হয়। চাকরি এবং টাকা দুটোই একসাথে হারানোর ভয়ে ১১ই সেপ্টেম্বর যশোর জেলা পরিষদ বরাবর প্রধান শিক্ষক আবু জাফর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ দায়ের করে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবু জাফর সিদ্দিক দৈনিক যশোরকে জানান, অভিযোগকারী বাবলু আমার প্রতিষ্ঠানের নাইট গার্ড। সে তার দায়িত্ব পালন না করে বেতন উত্তোলন করে। এ বিষয়ে কিছু বলতে গেলে তার মা এবং ভগ্নিগতি সহ উল্টো আমাকেই হুমকি ধামকি প্রদান করে। তার অভিযোগের সকল তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা।















