নাসির আহমেদ,দশমিনা (পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে তালপাকা গরম ও হালকা হাওয়ায় দোল খাচ্ছে দিগন্ত জুড়ে সবুজ আমন ধানের তে। চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এই উপজেলার কৃষকরা।
গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিগত বছরগুলোতে আমন মৌসুমে প্রবল বৃষ্টি আর বন্যার সঙ্গে লড়াই করে আমন ধান চাষ করলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। মৌসুমের শুরুতে বন্যার প্রভাব পড়েনি। চারা রোপণের পর পরই দফায় দফায় বৃষ্টি আর রোপণকৃত ধানের চারা কৃষকের নিবিড় পরিচর্যায় দ্রুত বেড়ে ওঠছে। তাই সবুজে ছেয়ে গেছে ধানের তে। আর দিগন্তজুড়ে সবুজের মাঝেই উঁকি দিচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার চলতি রোপা আমন মৌসুমে ১৮হাজার ৪শ’ ২৫হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা আর অর্জন ১৮হাজার ৫০০শ’ হেক্টর। এর মধ্যে ব্রি ধান-১১, ২৩, ৫২ ও ৮৭ তবে উপজেলার কৃষকরা উপসী ৭০% ধান চাষাবাদ করছেন।
কৃষকরা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বৃষ্টিপাতের হার কম হওয়ায় েেত সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে। এখন অবশ্য দুই/একদিন পর বৃষ্টি হচ্ছে। েেতর অবস্থা ভালোই দেখা যাচ্ছে।
উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাস পাড়া গ্রামের কৃষক মজিদ হাওলাদার, জামাল হোসেন, সংকর চন্দ্র ও জামাল মৃধা বলেন, আমরা কৃষি অফিসের পরামর্শে আমন ধানের বীজ বপন ও চারা রোপণ করেছি। জমিতে চারা রোপনের আগে ও পরে তেমন বৃষ্টি বৃষ্টি হয়নি। আশা করি বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবার বেশি ফসল ঘরে তুলতে পারবো।
উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বগুড়া গ্রামের কৃষক ইউনুছ তালুকদার, সালাম মিয়া, নষা মিয়া ও খলিল তালুকদার বলেন, প্রায় ৬ একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। আমরা নিজেরাই েেতর পরিচর্যা করি। এ বছর আবহাওয়া আমাদের অনুকূূলে থাকায় ধান েেতর চেহারা যথেষ্ট ভালো। আশা করছি, ফলনও ভালো হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাফর আহম্মেদ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় েেতর অবস্থা বেশ ভলো। ফলে এবার ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ধানের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে-কৃষকরা এবার লাভবান হবে। তিনি আরও বলেন, উপজেলার কৃষকরা দিনদিন উপসী ধানের চাষাবাদে ঝুকছেন।















