মহেশপুর(ঝিনাইদহ)অফিস ঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউপির ভোলাডাঙ্গা গ্রামে মধ্যযুগীয় কায়দায় যুবক বকুল হোসেনকে মারপিটের নির্দেশ দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু এমন অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ঐ মামলার বাদী মুকুল হোসেন। গতকাল সকালে মহেশপুর প্রেসক্লারের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।
লিখিত অভিযোগে মামলার বাদী মুকুল হোসেন জানান, সাত বছরে থেকে পাঠানো টাকা চাওয়ায় গত ১৪ অক্টোবর তার ভাই বকুল হোসেনকে তার প্রাক্তন স্ত্রীর পরিবারের লোকজন হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দার মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। মারপিটের ভিডিও একাধিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকার চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঐ দিনই মুকুল হোসেন বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় নয়জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এরপর র্যাব-পুলিশ ৪ আসামীকে গ্রেফতার করে। এদিকে মামলা ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে ও আসামীদের বাঁচাতে বাশবাড়ীয়া চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এমনটি মহেশপুর নিবাহী অফিসের মিটিং-এ চেয়ারম্যান জিন্টু নিজে মুখে মারপিটের নির্দেশ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলেও অভিযোগ করেন মামলার বাদী মুকুল হোসেন। এছাড়াও মারপিটের ঘটনা ধামাচাপা দিতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া বকুল হোসেন ও মামলার বাদী মুকুল হোসেনকে আসামী করে চেয়ারম্যানের ইন্ধনে মহেশপুর থানায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেন আসামীপক্ষ।
এসময় মুকুল হোসেন আরো জানান, বাশবাড়ীয়া চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। কিন্তু মুকুল হোসেনের পরিবার নৌকার পক্ষে সমর্থন করায় বিরোধ বাঁধে চেয়ারম্যান জিন্টু সাথে। নির্বাচনে জয়লাভ করা পর পরই মুকুল হোসেনের পিতাকে কুপিড়ে জখম করেন জিন্টু চেয়ারম্যান সমর্থন লোকজন। সর্বশেষ মামলার বাদী মুকুল হোসেন নিজেও তার পরিবারের লোকজনের নিরাপত্তা এবং ভাইকে মারপিটের হত্যা চেষ্টা মামলা সুষ্ট তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।















