মোন্তাজ আলী, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া খাল দিয়ে কয়েকটি গ্রামের পানি প্রবাহিত হয় মুক্তেশ্বরী নদী দিয়ে। খালের বিভিন্ন স্থানে পাঁটা দিয়ে পানি নিস্কাশন বন্ধ করে মাছ ধরে এলাকার কয়েক জন্য প্রভাব শালীরা। সিত্রাং ঝড় ও বৃষ্টিতে মাঠে ফসলের জমিতে পানি বৃদ্ধির কারণে ফসল নষ্ট না হয়। সে লে উপজেলা প্রশাসন উদ্যেগে সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে খালের বিভিন্ন স্থানে পাট ও নেট অপসারণ করা হয়েছে ।
সূত্রে জানাযায়, উপজেলার ঢাকুরিয়া মুক্তেশ্বারী নদী সংযুক্ত ঢাকুরিয়া দনি পাড়া মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত এই খালটি। জয়পুর, হুরগাতি, কর্ন্দপপুর, ভোজগাতি, জামজামি, ব্রামনডাঙ্গা ও ঢাকুরিয়াসহ অনেক গ্রামের বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হয় এই খাল দিয়ে। মানুষ মারি, কোচবিল ও পুঁটিমারি বিলে কৃষকের হাজার হাজার বিঘা জমিতে সোনার ফসল ধান রয়েছে। কৃষকের ল ল টাকা ফসলের জমিতে খরচ করে বসে আছে কবে ধান কেটে ঘরে তুলবো। ঢাকুরিয়া গ্রামের প্রভাব শালি সলেমান, সন্নত ও রুহলসহ আরো কয়েক জন খালটির বিভিন্ন স্থানে পাঁটা ও নেট দিয়ে দির্ঘদিন ধরে মাছ ধরে আসছে। হঠাৎ সিত্রাং ঝড় ও বৃষ্টিতে বিল খালে ব্যাপক হারে পানি বৃদ্ধি পয়েছে। কৃষকের মাঠের ফসল বৃষ্টির পানিতে নষ্ট না হয়। সে জন্য সোমবার দুপুরে সিত্রাং ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে পাটা অপসারণ করার জন্য অভিযান পরিচালনা করেণ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেণ সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলী হাসান। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য সিনিযর অফিসার রিপন কুমার ঘোষ, তন্ময় চক্রবর্তী, অলোক কুমার মল্লিক, স্থানীয় ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম ও এলাকার শত শত কৃষক।















