মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : শনিবার (৫ নভেম্বর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ১২০টির অধিক দেশের তরুণ নেতৃত্বদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক বেস্ট ডিপ্লম্যাট কনফারেন্স। অনুষ্ঠানে প্রথমদিনে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের পাশাপাশি দেশের পরিচয় তুলে ধরে সংপ্তি বক্তব্য রাখেন।
দ্বিতীয় দিনে তারা জাতিসংঘের আদলে ছায়া জাতিসংঘ অধিবেশন পর্বে পর্ব নির্ধারিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি হিসেবে কূটনৈতিক বক্তব্য রাখেন। এ পর্বে নাঊরু প্রজানন্ত্রের পে কূটনৈতিক বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের জহির ইকবাল নান্নু। এ সময়ে তিনি ছায়া জাতিসংঘ অধিবেশনের মানবাধিকার কাউন্সিলের প্রতিনিধি হিসেবে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। তার বক্তব্যে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকারের প্রতি হুমকি, সংঘাত ও বৈষম্যের দিকে আলোকপাত করে তা মোকাবিলায় সমগ্র বিশ্বকে এক হয়ে কাজ করার আহবান জানান। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা সমস্যা এবং একই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান যুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধ বন্ধে অবিলম্বে সম্মিলিত পদপে নেবার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অংশগ্রহণকারীগণ ভিন্ন ভিন্ন দেশের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হন। এসময় তারা মনোনীত দেশের হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেন।
ফোনে জহির ইকবাল তার বক্তব্যে বলেন, আমি আমার বক্তব্যে বাংলাদেশকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরেছি। নাঊরুর মানবাধিকার নিয়ে আমার বক্তব্য ছিলো সেটিও আমি বলার চেষ্টা করেছি। সর্বপরি, বাংলাদেশের পতাকার সাথে নিজ জেলা যশোরের নাম সকল ডিপ্লম্যাট মাঝে তুলে ধরতে পেরে আমি গর্বিত। জহির ইকবাল নান্নু স্বপ্নদেখো, এমএমডিএফবিডি ও এ্যাবাকাসের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ইতিপূর্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে জাতীয় যুব পুরস্কার, জাতিসংঘের স্বেচ্ছাসেবক এ্যাওয়ার্ড, নেপাল থেকে সোস্যাল ইমপ্যাক্ট এ্যাওয়ার্ডসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন দেশের যুব প্রতিনিধিগণের পাশাপাশি উপাস্থত ছিলেন থ্যাইল্যান্ডে অবস্থিত পাকিস্তানি হাইকমিশনার সাহেবজাদা এ. খান, বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক, কূটনৈতিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক এবং এনজিও কর্মকর্তাগণ।
বিভিন্ন পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানটি মতবিনিময়, ইন্টার কালচার এক্সচেঞ্জ, আলোচনা পর্ব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ব্যাংককের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণের মধ্য দিয়ে আগামী ৭ নভেম্বর সমাপ্ত হবে।















