স্টাফ রিপোর্টার:- ব্যক্তি মালিকানা জমির উপর থেকে সন্ত্রাসী স্টাইলে স্থাপনা ভেঙ্গে ও গাছ কেটে রাস্তা তৈরী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে উপজেলার বাকোশপোল গ্রামে। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, মণিরামপুর উপজেলার মণিরামপুর সদর ইউনিয়নের বাকোশপোল গ্রামের বাজার সংলগ্ন মৃত ছবেদ আলী খাঁর ছেলে রাজু আহমেদের বসত ভিটা জমির উপর থেকে পাঁকা স্থাপনা ( গোসলখানা ও বার্থরুম) ভেঙ্গে ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছালি এবং সরকারী রাস্তার গাছ কেটে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা তৈরী করার চেষ্টা করছে প্রভাবশালী মৃত মিয়াজান খার ছেলেরা। ১১ নভেম্বর সকালে মিয়াজানের ছেলে সলেমান, আয়ুব আলী, ইয়াকুব আলী,ওলিয়ার রহমান ও ছলেমান মোল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর, সোহেন, উকিল এর ছেলে বিল্লাল, বিল্লাল এর ছেলে তালহা, সফুল্লার ছেলে বাপ্পী, সুলতান মোল্লার ছেলে ফারুখসহ বাইরের গ্রামের অজ্ঞাতনামা আরো ২০/২৫ জনকে সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র স্বজ্জিত হয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে রাজুর বাড়িতে প্রবেশ করে রাজুকে বেঁধে রেখে তার জমির ঊপর থেকে পাঁকা গোসলখানা ও বার্থরুম ভেঙ্গে দেয়। এর পর সরকারী রাস্তার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছিলী কেটে জীবন নাশের হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়। উল্লেখ্য ছলেমানদের বাড়ি থেকে রাস্তায় আসার জন্য বহাল তবিয়াতে সরকারী রাস্তা রয়েছে। তার পরও অর্থের অহংকারে আমাদের উপর এই ধরনের ক্ষয়ক্ষতি সাধন কলছে নির্যাতন চালাচ্ছে।
এদিকে ঘটনাটি উল্লেখ করে ওই দিনই রাজু আহমেদ বাদী হয়ে উক্ত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে থানার দারোগা আব্দুল হান্নান বিকেলেই ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পান বলে জানা গেছে। দুঃখ জনক হলেও সত্য যে এদিন রাতেই একটি হুমকির চিরকোট লিখে জানালা দিয়ে রাজুর ঘরের রুমে ফেলেছে। চিরকুটে উল্লেখ্য ( তুই থানায় অভিযোগ দিয়েছিস। তোদেরকে বাচায় রাখবোনা। গুম করে দিব তোরা কোথায় থাকিস।এখনও সময় আছে জমি আমার কাছে বেচে দে। তা না হলে তোদের কেউ বাচবে না)। এ ঘটনার পর থেকে পুরো রাজুর পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এ বিষয়ে কথা হয় প্রতিবেশি ইজার আলী ও খোরশেদ আলীর সাথে তারা প্রতিনিধিকে জানায়, প্রায় ৩৫ বছর আগে আমার পিতা রাজুর পিতার কাছে ওই সাড়ে ১০ শতক জমি বিক্রি করেছিল। সেই থেকে তারা দখলে রয়েছে। রাজুর মা মনোয়ারা বেগম কাদিতে কাদিতে বলেন, সম্পর্কে ছলেমানরা আমার চাচাতো ভাসুর ও দেবর হয়। কিন্তু তাদের টাকা পয়সা হওয়ায় আজ আমাদের উপর নির্যাতন করছে। আমার বসত ঘরের টিনের চাল পর্যন্ত নষ্ট করে দিয়েছে। আমাদের লাগানো গাছ গুলো কেটে দিয়েছে। আমার গায়ে পর্যন্ত হাত তুলেছে। আমার দুটি ছেলে আজ জীবনের ভয়ে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। তাই আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ট বিচার জোর দাবি জানাচ্ছি। ভুক্তভোগী রাজু বলেন, আমার বাড়ি পাঁকা রাস্তার ধারে। আর তাদের বাড়ি আমার বাড়ির পিছনে। যার কারনে তারা আমার উপর অত্যাচার চালাচ্ছে। যেন আমি বাড়িঘরসহ জমি তাদের কাছে বিক্রি কলে চলে রিয়। যার প্রমান আমি ওই চিরকুটেই পেয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমার রে কোন সময় তারা জীবনের উপর উঠতে পারে। যার কারনে আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। দারোগা আব্দুল হান্নান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কাজটি করা ঠিক হয়নি।















