কয়রায় শেখ রাজিয়া নাসের এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

0
192

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:- নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই শহীদ শেখ আবু নাসেরের সহধর্মিনী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচি, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল উদ্দীন, নৌ-পরিবহন মালিক সমিতির সহসভাপতি শেখ জালাল উদ্দীন রুবেল ও শেখ বেলাল উদ্দীন বাবু’র রত্নগর্ভা মাতা এবং বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের দাদিমা শেখ রাজিয়া নাসের এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু’র সার্বিক সহযোগীতায় কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগ, কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠন। শেখ রাজিয়া নাসের এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু’র সার্বিক সহযোগিতায় তার কয়রা নিজস্ব বাস ভবন, উপজেলার সকল মসজিদ-মাদ্রাসায় কোরআন খানি, দোয়া মাহফিল, স্মরণসভা, মন্দিরে প্রার্থনা, এতিমখানা ও হাসপাতালে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কাযার্লয়, এতিম খানাসহ বিভিন্ন এলাকায় গণভোজের আয়োজন করা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জি এম মোহসীন রেজার সভাপতিত্বে বুধবার (১৬ নভেম্বর) বেলা ১২ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান কমলেশ কুমার সানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম বাহারুল ইসলাম,আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াদ আলী, শ্রমিকলীগ সভাপতি আব্দুল হালিম,সাধারন সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা এ্যাড. আরাফাত হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আব্দুর রকিব, জেড এম হুময়ুন কবির নিউটন, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদল, সহ উপজেলা বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন । স্মরণ সভা শেষে দোওয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাও: মইনুল । অনুষ্ঠান শেষে তাবারক ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।স্বরণ সভায় বক্তারা বলেন,
স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী চক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ নাসেরকেও নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরপর ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্বাচিত হয়ে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তার চাচী রাজিয়া নাসেরই তাকে মাতৃস্নেহে আগলে রাখেন। তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অভিভাবক। তিনি শেখ হাসিনা ও তার সন্তানদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা বুঝিয়ে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাতেন। মহীয়সী নারী শেখ রাজিয়া নাসের অত্যন্ত প্রগতিশীল, উদারতা ও সংস্কৃতিমনা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শেখ হেলাল ও তাঁর পরিবার পরিজনরা যেমন মা হারিয়েছেন তেমনি আওয়ামী লীগ হারিয়েছে অভিভাবক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here