সরকারী লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বটগাছ কাটার সময় স্থানীয়দের ধাওয়া; পালিয়ে রক্ষা গাছচোর রকিনুর ও মাহবুবের।

0
205

রাসেল মাহমুদ।। বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তার সরকারি একটি বটগাছ কেটে নেয়ার সময় রকিনুর ও মাহবুর নামের দুই গাছ চোর’কে ধাওয়া দিয়েছে গ্রামবাসী। তবে পালিয়ে রক্ষা পেলেও গাছটির অধিকাংশ ডালপালা আগেই কেটে বাজারে বিক্রি করে ফেলেছে চক্রটি। এঘটনায় এলাকায় বেশ উত্তেজনা ও ক্ষোভের সঞ্চরণ হয়েছে সর্বসাধারণের মাঝে। সরেজমিন গেলে এলাকাবাসীর পক্ষে বিলুপ্তপ্রায় বটবৃক্ষটির রোপণকারী মুনসেফপুর গ্রামের আব্দুল কাদের বিশ্বাস অভিযোগ করেন- শনিবার (২৬ নভেম্বর) ভোরের আলো উঠতে না উঠতেই বিশাল জায়গাজুড়ে শ্যামলছাঁয়া ঘেরা বৃক্ষ’টি কাটতে শুরু করে একটি চক্র। খবর শুনে আসতে-আসতেই ডালপালা কেটে রূপদিয়া বাজারে বিক্রি করে আসে। যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের মুনসেফপুর সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের পশ্চিম পাশের শেষ প্রান্তে সরকারি রাস্তার বিরাট আকৃতির একটি বটবৃক্ষ বিক্রির উদ্দেশ্যে মুনসেফপুর গ্রামের সেলিম বিশ্বাসের ছেলে রকিনুর ও আব্দুল জলিলের ছেলে মাহবুর দলবল সমেত গাছটির ডালপালা কেটে ফেলে রূপদিয়া বাজারে বিল্লাল হোসেন নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। যার ওজন ১৯ মনের অধিক। গাছ কাটার বিষয়টি স্থানীয়রা বারবার না কাটার অনুরোধ জানালে রকিনুর হুমকি দিয়ে গাছ কাটার চেষ্টা করতে থাকে এক পর্যায়ে স্থানীয়দের একট্টা হতে দেখে দ্রুত পালিয়ে রক্ষা পায়। এঘটনায় অভিযুক্ত রকিনুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের’কে জোন হিসাবে গাছটি কাটার জন্য নিয়েছে রাস্তার পাশের জমিটির মালিক সামছুর রহমান বিশ্বাস আমরা তার কথা মত গাছ কাটতে গেছিলাম তবে এ কথার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে সামছুর রহমান বিশ্বাস জানান অনেকদিন ধরে রকিনুর সহ বেশ কয়েকজন আমার সাথে যোগাযোগ করেছে কাছটি কেটে নেবে বলে। আমি বিষয়টা নিয়ে সাফ বলে দিয়েছি গাছ কাটবে নাকি কাটবে না সেটা আমার ব্যাপার না। বা আমি অনুমতি দেয়ার কেউই না। যদি তোমরা পারো তোমাদের ব্যাপার।
স্থানীয়দের অভিযোগ রকিনুর মূলতঃ এধরনের কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। সরকার দলের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে বেড়ায় এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। বিষয়টি নিয়ে দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ব্যাবস্থা নেবেন এমনটাই আশা। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here