দশ সহস্রাধিক নেতা-কর্নামীর ‘সমাগমে বেনাপোলে আঃলীগের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

0
196

বেনাপোল থেকে এনামুল হকঃ সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের করে বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,শ্রমিকলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ,ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠন এর কর্মী-সমর্থকবৃন্দ।বৃহস্পতিবার(৮ ডিসেম্বর) বিকালে বেনাপোল বন্দর ও শহর এলাকায় এই বিশাল বিক্ষোভ মিছিলে প্রায় দশ সহস্রাধিক নেতা-কর্মী’র সমাগম ঘটে।
বিশাল এই বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন,বেনাপোল পৌর আ.লীগের সভাপতি- এনামুল হক মুকুল,সাধারণ সম্পাদক-মোঃ নাছির উদ্দিন,শার্শা উপজেলা শাখা যুবলীগ সভাপতি-অহিদুজ্জামান অহিদ,বেনাপোল পৌর যুবলীগ আহবায়ক ও পৌর কমিশনার-আহাদুজ্জামান বকুল,যুগ্ম-আহবায়ক ও বেনাপোল চেকপোষ্ট বাজার কমিটি’র সভাপতি-জসিম উদ্দিন,বেনাপোল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি-সহিদুজ্জামান সহিদ,বড়আঁচড়া আ.লীগ নেতা-আব্দুল হামিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি-জুলফিকার আলী মন্টু,সাধারণ সম্পাদক-মোঃ কামাল হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক-নাজিম উদ্দিন রাব্বি,বন্দরের হ্যান্ডলিং শ্রমিকলীগ সভাপতি-রাজু আহম্মেদ,সাধারণ সম্পাদক-আক্তারুজ্জামান,বেনাপোল পৌর ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি-আব্দুল্লাহ আল মামুন,সাধারণ সম্পাদক-তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ও পৌর আ.লীগ সহযোগী সংগঠনের কর্মী-সমর্থকবৃন্দ।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বেনাপোল পৌর আ.লীগ সভাপতি এনামুল হক মুকুল বলেন,বিএনপি ১০ ডিসেম্বর/২০২২ ইং তারিখ রাজধানী ঢাকায় মহা-সমাবেশের ঘোষণা দেয়ার পর রাজনীতিতে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে।ঢাকার বাইরে সমাবেশের পর রাজধানীতে দলটি বড় সমাবেশের পরিকল্পনা করে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগকে চ্যালেঞ্জ করতে চায়। এ উদ্দেশ্যে তারা রাজধানীর আশেপাশের জেলাগুলো থেকে নেতাকর্মীদের জমায়েত করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে।
তবে ঢাকার সমাবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয় বিএনপির মধ্যম সারির কয়েকজন নেতার বক্তব্যের রেশ ধরে। গত ৮ অক্টোবর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এক আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে দেশ চলবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কথায়। এর এক দিন পর দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুরে দলীয় কর্মসূচিতে বলেন, শীঘ্রই তারেক রহমান দেশে আসবেন। তার পরদিন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ হবে আটলান্টিক মহাসাগরের মতো। এই সমাবেশে খালেদা জিয়া যাবেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের এমন সব উদ্ভট বক্তব্যে রাজনীতির ময়দান এক ভয়াবহ রক্তাক্তের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ ছাড়াও ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের স্থান নির্ধারণ কে কেন্দ্র করে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপি’র অফিস কার্যালয়ের সামনে গত কয়েকদিন যাবৎ বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা দেশে অসস্থিকর পরিবেশ তৈরীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে চলেছে। দফায়-দফায় তারা পুলিশের সাথে মারমূখী কর্মসুচি দিয়ে রাজপথ রনাঙ্গণে পরিণত করে চলেছে।
বেনাপোলে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শার্শা উপজেলা শাখার যুবলীগ সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ বলেন, “ঢাকায় বিএনপি’র নির্বিঘ্ন সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা এবং সেখানে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা সত্ত্বেও তারা যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়, বাড়াবাড়ি করে, তাহলে সরকার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ তো করবেই”।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সম্মেলন ৮ তারিখের পরিবর্তে এগিয়ে এনে ৬ তারিখ করেছেন যাতে সেই মঞ্চ, প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলার পর বিএনপি সময় নিয়ে মঞ্চ এবং তাদের প্যান্ডেল নির্মাণ করতে পারে। কোনো সম্মেলন পিছিয়ে দেয়া সহজ কিন্তু এগিয়ে আনা সহজ নয়। তারপরও বিএনপির জন্য আওয়ামী লীগ সেটি করেছে। শুধু তাই নয়, বিএনপি তো নির্বিঘ্নে সারাদেশে সমাবেশ করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here