বিদ্যালয়ের অনিয়ম দুর্নিতী ফাঁস সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা 

0
173

ইলিয়াস হোসেন ভ্রামমান প্রতিনিধিঃ যশোরের মণিরামপুর রাজগঞ্জ ঝাঁপা উত্তরপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহীম খলিল মাইকিং করে ম্যানিজিং কমিটির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন । সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহীম খলিল ১১.১০ মিনিটেও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পরেননি তিনি গণমাধ্যম কর্মীর ফোন পেয়ে ১১.৩৬ বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন । এবং রেজিষ্ট্রেশন খাতায় ঐ সময় সিগনেচার করতে নারাজ। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হাজিরা খাতাটা দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে রাজি নন। প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহীম খলিল এর কাছে বিদ্যালয়ে কেন দেরি করে আসছে সেটি জিজ্ঞেসাবাদ করলে তিনি জানান , আমি আমার কেরানী মিঠুকে অবহিত করে গেছি । এ ঘটনার বিষয় কেরানী মিঠুর কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন, এবং পরে সম্মতি প্রকাশ করেন। প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশিকুর রহমান’র কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাকে প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য করেন বলে তিনি স্বীকার করেন। তবে প্রধান শিক্ষক এই টাকার কোন ব্যাংকের চেক বা একাউন্ট দেখাতে পারেননি। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং উত্তরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি অশ্রু সিক্ত নয়নে বলেন, আমি অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমানে বিদ্যালয়টি অনিয়ম দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে । প্রধান শিক্ষক অভিনব কায়দায় গত ৫ই জানুয়ারী মাইকিং করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন, এবং বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের ঠিক মত পাঠ দান করান না। বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ১৭ লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগ প্রদান করেন। ২০১৯ সালে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ প্রদান করেন, মোটা অংকের টাকা নিয়ে তবে এই ঘটনা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয়ে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্থানীয় জনগণের তোফের মুখে পড়লে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যহতি প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠাতা আরও জানান, নিয়োগের লক্ষ লক্ষ টাকা গুলো কোথায় গেল, তবে সেই লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কোন কাজে লাগানো হয়নি তারা দুই জনই টাকা গুলো নিজেরা আত্মসাৎ করেন বলে জানান।বিদ্যালযের সহকারী শিক্ষক আক্তারুজ্জামান ও আব্দুর সাত্তার এর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক যা বলেছেন তার কথা ভিত্তিহীন ও বানয়াট তবে তিনি প্রতি নিয়ত বিদ্যালয়ে দেরি করে আসেন এবং নিয়মিত শিক্ষাথীদের পাঠদান করান না। তবে বিদ্যালয়টি এমন ভাবে চলতে থাকলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এ ঘটনার বিষয় বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য ও দাতা সদস্য এবং স্থানীয় সচেতন মহল তদন্ত পূর্বক উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানান। এসময় প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের অফিস কক্ষেের ভিতর পিছনে একটি পর্দা যুক্ত স্হানে ডেকে নিয়ে টাকা দিয়ে মুখ এবং তথ্য প্রকাশ না করার জন্য জোর দাবী করতে থাকেন। কিন্তু সাংবাদিকরা তখন সেটিকেও জানান দেন স্হানীয় জনগনের সামনে। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here