দুই ব্রীজে স্বপ্ন পূরণ হবে দুই গ্রামের মানুষের

0
214

জসিম উদ্দিন, শার্শা : যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ হতে গোড়পাড়া সড়কের পৃথক দুটি স্থানে বেতনা নদীর উপর একই রকম দুটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বহুদিন পরে শার্শা উপজেলার কাজিরবেড় ও গাতিপাড়া সহ এ অঞ্চলের মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।দীর্ঘদিনের পুরাতন ও ঝুকিপূর্ণ ব্রীজ ভেঙে ৬০ মিটার লম্বা ব্রীজ দুটি তৈরি করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগ (এলজিইডি)।গত বছরের ৯ জানুয়ারি ২০২২ এ কাজ শুরু হয়ে আগামী ৩ জুলাই ২০২৩ এ শেষ করার তারিখ নির্ধারণ করেছে যশোরের আইসিএল প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি একই সাথে দুটি ব্রীজের কাজ শুরু করার কথা থাকলেও ব্রিজের নির্মাণ কাজ কচ্ছপ গতিতে চালিয়ে যাচ্ছে বলে সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়। ব্রীজ নির্মাণের কাজ এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিভিন্ন কার্য্যজটিলতায় দুটি ব্রীজের কাজ সব মিলিয় ২০ শতাংশ হয়েছে বলে জানা যায়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, দুই গ্রামের লোকজনের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপেক্ষিতে নিরলসভাবে ব্রীজটি বাস্তবায়নে কাজ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগ। একটু দেরি হলেও অবশেষে তাদের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।এদিকে দুই গ্রামের মানুষের যাতায়াতে যেন ভোগান্তি পোহাতে না হয় পাশাপাশি এলাকায় উৎপাদিত নানা কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায় দীর্ঘদিন যাতে কষ্টকর পরিস্থিতির মধ্যে না পড়তে সে জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রতি আহবান জানান স্থানীয় ও এঔ সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ।
তবে কার্য্যজটিলতায় সময় কিছুটা পার হয়ে গেলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি সামনের সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে জানান। দুটি ব্রীজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। স্থানীয়রা জানান, একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। ব্রীজ দুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক রচিত হবে।শার্শা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী (এলজিইডি) এম এম মামুন হাসান জানান, কার্য্যজটিলতায় ব্রীজ দুটির নির্মাণ কাজের সময়সীমা এক বছর পেরিয়ে গেলেও আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। যথা সময়ে কাজ শেষ করতে করনীয় বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here