স্টাফ রিপোর্টার কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : বিএনপির খুলনায় সমাবেশে যাওয়ার পথে কালীগঞ্জের বারবাজারে বাসে হামলা। এ সময় বাস থেকে পালিয়ে নেতাকর্মীরা ভ্যানে করেই খুলনার পথে রওয়ানা হন। খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে যাওয়ার পথে বাস থেকে নামিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধর ও বাস ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় ও মারপিটে রকি হোসেন, আব্দুস শুকুর, আকিব হোসেন, বাহাদুর, আমজেদ হোসেন, নাসির হোসেন, পাঞ্জু শেখ ও লিটন হোসেন সহ প্রায় ২০/২৫ নেতা কর্মী আহত হয় বলে জানা গেছে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা আত্মরক্ষায় বিভিন্ন দিক ছোটাছুটি করে। আহতদেরকে স্থানীয় ক্লিনিক ও কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সরকার দলীয় লোকজনই ওই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
মারধরের শিকার আহত আব্দুস শুকুর জানান, শনিবার সকালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার বিএনপি নেতা কর্মীরা ১০/১২ টি বাস ও মাইক্রোবাস নিয়ে খুলনায় বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে কালীগঞ্জের বারবাজারে পৌঁছালে ২০/২৫ জন যুবক লাঠিসোটা দা নিয়ে তাদের ব্যারিকেড দেয়। তারা বাস থেকে নেতা কর্মীদের নামিয়ে বেধড়ক মারপিট ও যানবাহন ভাংচুর চালায়। এ সময় প্রাণভয়ে অনেকেই বাস থেকে নেমে দৌড়ে পাশের গ্রামের মধ্যে চলে যায়। হামলায় আহতদের কালীগঞ্জ ও স্থানীয় জননী ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সাবেক চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন জানান, ৫০ জনের একটি দল তাদের বাসের সামনে ব্যারিকেড দেয়। তাদের হাতে লাঠিসোটা ও দা ছিল। এ সময় তিনি বাস থেকে নেমে কথা বলতে গেলে তাকে মারধর করা হয়। এরপর বাস থেকে আরো নেতাকর্মীদের নামিয়ে মারধর শুরু করলে অনেকেই দৌড়ে পালিয়ে রক্ষা পায়। হামলায় তিনিসহ ৯ জন গুরুতর আহত হন। এছাড়াও শতাধিক নেতাকর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
হামলার বিষয়ে বারবাজার পুলিশ ক্যাম্পের এসআই হায়াত মাহমুদ জানান, তিনি বারবাজার বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের মাঝে ঝামেলা হওয়ার খবর পেয়েছেন। কিন্তু তারা বিএনপি কর্মী কিনা তা জানেন না। কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্যা জানান, হামলা বা মারপিটের বিষয়টি তার জানা নেই। ক্যাম্পের আই সি তাকে কিছুই জানায়নি।















