মণিরামপুরে স্কুলের জমি দখল করে ঘের বানানোর চেষ্টা প্রশাসেনর নিকট অভিযোগ- কাজ বন্ধ

0
240

মোন্তাজ আলী, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ শ্রীপুর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের রেকার্ডিয় জমি থেকে মাটি কেটে ঘের বানানোর পায়তারা করছে স্থানীয় এক প্রভাবশালি খবিরুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ তাকে অনেক বার বাঁধা দিলেও কাউকে তোয়াক্কা না করে মাটি কাটা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযেযাগ। বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের করেছে। উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মাটি কাটা কাজ বন্ধ করে দেয়।
সূত্রে জানাযায়, মণিরামপুর উপজেলার ২৯নং শ্রীপুর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের গাঁ ঘেষে উত্তর পাশে রেকার্ডিয় জমির থেকে জোবর দখল করে মাটি কেটে ঘের বানানোর পায়তারা করছে একই গ্রামের খালেক সরদারের ছেলে প্রভাবশালী খবিরুল ইসলাম। গত শুক্রবার ভোর রাত থেকে ইস্কোমিটার ও হাইড্রোলিক গাড়ি করে জয়পুর একটি ইট ভাটাসহ বিভিন্ন জায়গায় মাটি বিক্রি করে দিচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে বেপরোয়া ভাবে কাউকে তোক্কা না করে এমন কাজ করে যাচ্ছে তিনি। বিদ্যালয়ের কৃর্তপক্ষ জানতে পেরে তাকে মাটি কাটতে নিষেধ করে। তাদের কথায় কোন কর্ণপাত না করে মাটি কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অবশেষে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মাটি কাটা কাজ বন্ধ করে দেয়। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় গত ২২/০৪/১৯৬২ ইং সালে শ্রীপুর প্রথমিক বিদ্যালয়ের নামে দলিল করে দেন নিজাম আলী সরদার পিতা মৃত কাঙ্গাল সরদার, চাঁদ আলী সরদার পিতা মৃত তোরাপ সরদার, অহেদ আলী সরদার পিতা মৃত মানিক সরদার, গোলাম রসুল সরদার পিতা মৃত অসেল সরদার, কাবিল সরদার পিতা মৃত হানেফ আলী সরদার সাবেক দাগ নং ১৯,১৬,১৮,৩০,৪৫,১৭ ও ৩১। দাগের মোট জমি ১ একর ৫০ শতক। দলিল নং ৩৭৪১। বর্তমান রেকার্ডি হয়েছে শ্রীপুর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের নামে। হাল দাগ নং ১৭, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ৫৯ ও ৬০ দাগে মোট জমি রেকার্ডি হয়েছে ১ একর ১৩ শতক জমি। প্রশাসন মাটি কাটা কাজ বন্ধ করার পরও গভির রাত থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে বলে এলাকা বাসির অভিযোগ। বিষয়টি জানতে চাইলে খবিরুল ইসলাম জানান, আমাদের পত্রিক জমি। তাই আমি মাটি কেটে ঘের বানাছি। বিদ্যালয়ের সভাপতি উত্তম কুমার দে জানান, জমির বিষয়টি আমি ভাল জানি না। এলাকার লোকজন ও কাগজ পত্র দেখে মনে হয় স্কুলের জমি। আমরা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েছি দেখা যাক কি হয়। প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মল্লিক জানান, আমি স্কুলে নতুন এসেছি জমির বিষয় আমি ভাল জানি না। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন জানান, আমি অভিযোগ পাওয়ার পর মাটি কাটা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here