মণিরামপুর আবার ও ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

0
195

ইলিয়াস হোসেন ভ্রামমান প্রতিনিধিঃ মণিরামপুর উপজেলার মশ্বিমনগর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেনের, বিরুদ্ধে উপ নির্বাচন নিয়ে তার পছন্দের প্রার্থী কে ভোট না দিলে ১০ টাকা চাউলের কার্ড, কর্মসূচি কাজ থেকে বাতিল,বয়স্ক ভাতার কার্ড, কেটে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্হানীয় সূত্রে জানাযায়, আগামী ১৬ই মার্চে চাকলা ও কিসমত চাকলা ৯ নং ওয়ার্ড, উপনির্বাচনে ৪ জন প্রার্থীর
মধ্যে, সেলিম হোসেনের মোরগ মার্কার পক্ষ নিয়ে চেয়ারম্যান ভোটারদের হুমকি প্রদান করে আসছে বলে অভিযোগ করেন ,চেয়ারম্যান আবুল হেসেনের বিরুদ্ধে ।তিনি বিভিন্ন বাড়িতে সেলিম হোসেনের মোরগ মার্কার ভোট চেয়েছেন এবং ভোট না দিলে আগামী দিনে যাদের সরকারি বিভিন্ন সহতা কার্ড আছে তাদের কার্ড কেটে দিবে বলে হুমকি প্রদান করছেন। যাহারা মোরগ মার্কায় ভোট দিবেন না তারদেরকে ভোট কেন্দ্রে না আসতেও হুমকি প্রদান করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাই।
ফলে সাধারণ ভোটারদের মনে ভয় এবং সরকারের প্রতি ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে হারাচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রতি ভালোবাসা।স্হানীয় সাধারণ জনগণ নাম না বলতে ইচ্ছুক অনেকে বলেন।বাংলাদেশে বর্তমান ব্যাপক উন্নয়ন। আমাদের সন্তানরা উন্নত মানের বই পাচ্ছে, শিক্ষা উপবৃত্ত পাচ্ছে, স্কুল কলেজের নতুন ভবন,
দীর্ঘ দিন যেসব রাস্তা দিয়ে চলা যেতো না সেসব রাস্তা এখন পিচের ঢালায়।বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা,১০ টাকা কেজি চাউল,করোনা কালিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২৫০০ শত টাকা উপহার।করোনা কালিন ত্রাণ,গরীবের জন্য ঘর বাড়ি।কি দিচ্ছে না সরকার?তবুও আওয়ামী লীগের প্রতি ভালবাসা নাই সাধারণ ভোটারদের ।শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসা আছে কিন্তু আবুল হোসেনের মতো নেতার জন্য সরকার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে । বিভিন্ন নির্বাচনে প্রভাবশালী নেতাদের হুমকিতে ভোট দিতে যেতে পারি না।ভোট কেন্দ্রে গেলেই বলে ভোট হয়ে গেছে।তারা আরো বলেন আবুল হোসেন গ্রামে এসে বিভিন্ন মানুষ কে হুমকি প্রদান করে মোরগ মার্কায় ভোট না দিলে কার্ড কেটে দেওয়ার কথা বলছে। সামান্য একটি ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে যদি এমন হয়।তা হলে কি জনপ্রিয়তা থাকবে এমন প্রশ্ন সাধারণ ভোটারদের মাঝে।এ ছাড়াও অভিযোগ তোলেন অনেকে আবুল হোসেন দ্বারা এই নির্বাচন সুস্থ হতে পারে না।তা ছাড়া তিনি একজন চেয়ারম্যান, তিনি কেনো তার পছন্দের মেম্বার প্রার্থীকে ভোট দিতে বাধ্য করছে।এমন অভিযোগ করেন আরো তিন প্রার্থী,, সাইফুল ইসলাম তালা মার্কা,জাহিদ আলম টিউবওয়েল মার্কা, রেজাউল করিম ফুটবল মার্কা,তাদের ভেতর থেকে দুই প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, ও রেজাউল করিম গণমাধ্যম কে বলেন আমরা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এবং সার্কেল অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছি। তাদের অভিযোগে একই কথা উল্লেখ করেছেন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: জাকির হোসেন গণমাধ্যম কে জানায়।এ বিষয়ে আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। চেয়ারম্যান কে অবগতি করে দিয়েছি এসব কর্মকান্ড না করতে।
তিনি বলেন সাধারণ ভোটারগণ যে অভিযোগ দিয়েছে তাতে উল্লেখ করা হয়েছে ভোট না দিলে ভোটারদের যাদের সরকারি বিভিন্ন সহতা কার্ড আছে।
তাদের কার্ড কেটে দেওয়া হবে।কিন্তু এই কার্ড কাটার কোনো সুযোগ নাই।কার্ড কাটলে আমাকে না জানিয়ে কাটতে পারবে না। এদিকে ইউএনও নির্বাচন নিয়ে চেয়ারম্যান আবুল হোসেন কে কোনো ভোটারদের বাড়ি না যেতে বললেও তিনি গোপনে সেলিম হোসেন মেম্বর প্রার্থীর মোরগ মার্কার ভোট চেয়েই যাচ্ছেন । এদের ভেতরে দুই জনের অভিযোগ, চেয়ারম্যান বাড়ি বাড়ি যেয়ে সেলিম হোসেনের মোরগ মার্কায় জোর পূর্বক ভোট চাইছেন।ভোট না দিলে সরকারি সহতা কার্ড কেটে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।
নির্বাচন কমিশন, সহ উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহতা চেয়েছেন প্রার্থীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here