সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা ও বাল্য বিবাহ দেওয়া কাজী শহিদুল ইসলাম শ্রীঘরে

0
154

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের আলোচিত (ভুয়া পদাধিকারী সহকারী কাজী পরিচয়ে ) সরকারী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে একাধিক বাল্যবিবাহ পড়ানো সহকারি কাজী ভুয়া পরিচয় ধারী হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম(৫০)কে গ্রেফতার করেছে যশোর কতোয়ালী থানা পুলিশ। শহিদুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের মোল্লাপাড়ার মৃত মানিক মোল্লার ছেলে।
শহিদুল ইসলাম সাংবাদিককে হাত পা ভেঙ্গে দিয়ে কেটে নিবে প্রানে মেরে দিবে ও বলে আমি হুজুর দেখলে কি হবে? আমি কিন্তু হুজুর না,আমি কে বুঝিয়ে দিব,ভাল হুজুর দেখলে কি হবে আমি কিন্তু ভাল না। গত মঙ্গলবার (১৪ই মার্চ) বিকাল পাঁচটার সময় যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর বাজার থেকে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে বলে জানা যায় । মামলার বাদি সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম কাশিমপুর ইউনিয়নের রেজিস্টার কাজী আব্দুল্ হাই সিদ্দিকী র সহকারী কাজী পরিচয় দিয়ে অধিকাংশ বাল্য বিয়ের কাজ করেন। শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মোটাঅংক অর্থের বিনিময়ে একাধিক বাল্যবিবাহ পড়ানো এবং মিথ্যা নিকাহ নামা প্রদানের অভিযোগ ও রয়েছে, সে কাবিন নামা দিয়ে পরে অস্বীকার ও করেন। অন্জলি নামের এক ১৩ বছরের মেয়ের বাল্য বিবাহের ২০২০ সালের ১৬ই মে বাদিসহ তিন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী বাল্যবিবাহের নিউজ সংগ্রহ করতে অনুসন্ধানে কাশিমপুরে যায়। আসামী শহিদুল ইসলাম তার পোষ্য সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আসামী শহিদুল ইসলাম সহ তাদের উপর হামলা করে ও চাঁদা দাবি করে। তখন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা ৯৯৯এ কল করলে পুলিশ এসে সাংবাদিকদের উদ্ধার করেন বটে এরপর শহিদুল ইসলাম বাচার জন্য দালাল চক্রের কিছু অস্বাদু ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে সাংবাদিকদের নামে একটি মিথ্যা চাদা বাজির মামলা দায়ের করে। সাংবাদিকরা পরে বিষয়টি নিয়ে আরো গভীর তদন্তে গেলে একপর্যায়ে শহিদুল ইসলাম তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে সাংবাদিক শামসুর রহমান নিরবকে মারপিট খুন যখমসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তখন সাংবাদিক শামসুর রহমান নিরব যশোর কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করেন।
এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার এসআই মিজান জানান, আসামী শহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে কোর্টের একটি ওয়ারেন্ট ছিল। ওয়ারেন্টে আসামীর পিতার নাম ভুল থাকায় আসামী প্রকাশ্যে ঘুরিয়া বেড়াচ্ছিল। পরে উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই সহ বাদির শনাক্ত মতে আমি আসামী শহিদুল ইসলামককে গ্রেফতার করি। তিনি আরো জানান আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here