স্টাফ রিপোর্টার:যশোরের অভয়নগর উপজেলার অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত লাকি আক্তার ঐশি (৩০) নামের এক নারীর অসামাজিক কর্মকাণ্ডে বিষয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বারে ফোন দিয়ে লাকির ভারা বাড়ি থেকে এলাকাবাসির সহযোগিতায় লাকি-সহ জিহাদ মোড়ল(২৩), খালিদ হাসান(১৯) নামে আরও দুই যুবককে আটক করে অভয়নগর থানা পুলিশ।
গত শুক্রবার সন্ধায় নওপাড়ায় পৌরসভার ৬নং ওর্য়াড এর গুয়াখোলা খানপাড়া এলাকার মশিয়ার কাজীর বাড়ি থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদেরকে আাটক করা হয়। আটকের ছবি ও ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আটক লাকি উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সিংগাড়ী গ্রামের খানজাহান আলীর মেয়ে। আটক জিহাদ মোড়ল নওযাপাড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে বাসিন্দা জাহাঙ্গীর মোড়লের পুত্র খালিদ হাসান সিংগাড়ী গ্রামের সুজিদ মোল্যার
পুত্র।
এলাকাবাসী জানান, লাকি আক্তার ঐশি গুয়াখোলা এলাকার খাঁনপাড়ার মশিয়ার কাজীর বাড়ীতে দীর্ঘদিন ভাড়া থাকতেন। তার প্রায় দেখতেন এখানে প্রতিদিন অনেক ছেলেরা এসে ঘন্টা খানেক থেকে আবার চলে যেত। তারা আরও বলেন এখানে নওয়াপাড়া সম্ভ্যান্ত পরিবারের ছেলেরাও আসতেন। লাকির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে সে একাধিক ছেলেদের বাসায় ডেকে এনে নগ্ন ছবি তুলে ব্লাকমেইল করে টাকা আদায় করতেন। গত শুক্রবার এলাকাবাসী এক হয়ে স্থানীয় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বারে ফোন দিয়ে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে জানায়। পরে অভয়নগর থানা পুলিশ এসে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় লাকির ভাড়া বাড়ি থেকে আটক করে। তবে পরদিন আটক আসামীদের আদালতে প্রেরণ না করে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে জনমনে খোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
এ বিষয়ে বাড়ির মালিক মশিয়ার কাজী জানান, লাকি তার পাঁচ বছরের একটি মেয়ে ও তার মাকে নিয়ে আমার বাসায় ওঠেন এবং তার স্বামী বিদেশে থাকেন বলে আমাকে জানান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তার বিষয়ে জানার পর তাকে বাড়ি ছাড়ার নিদের্শ দিয়েছি। সে সামনের মাসে নেমে যাবে বলে আমাকে জানায়।
এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের ০১৭১২- ২১২৫৯০ নম্বারে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও সে ফোনটি রিসিভ করেনি।
স্থানীয় শরিফা বেগম-সহ আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় লাকি তাদের এলাকায় ঘড় ভাড়া নিয়ে প্রায় ১ বছর এ ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম শামীম জানান, ৯৯৯ এর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে থানা থেকে ফোর্স পাঠাই। সেখানে যেয়ে ঘটনার কোন সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় স্থানীদের হাতে আটককৃতদের তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দিয়েছি।















