ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি,ডুমুরিয়া (খুলনা) : খুলনার ডুমুরিয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে পাঁচ জন মহিলাকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। রোববার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার আঙ্গারদহা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ডুমুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার আঙ্গারদহা গ্রামের মৃত বারিক মোড়লের ছেলে আব্দুল হালিম মোড়ল প্রাপ্ত অভিযোগে উল্লেখ করেন মোস্তাফিজুর রহমান বাবু গংদের সাথে পূর্ব থেকে তাদের বাড়ির জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ আছে। কিন্তু রোববার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় তাদের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত আঙ্গারদহা মৌজার জমি থেকে শিরিস গাছ কাটতে গেলে মুজিবুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান বাবু ও লিটু শেখ,
মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর ছেলে সজল মোড়ল, মৃত সামছুর মোড়লের ছেলে আতাউর রহমান মোড়ল ও মাসুদ মোড়ল, এনামুল হোসেনের ছেলে তানভীর হোসেন, সেনপাড়া গ্রামের মনিরুল ফকিরের জামাই লিটন মোড়ল পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের গাছ কাটতে বাঁধা দেয়। এসময় বাদীর সেজো বোন কোহিনূর বেগম(৪৫) গাছ কাটতে বাঁধা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে সজল মোড়ল লোহার রড দিয়ে তার মাথায় স্বজোরে আঘাত করে। রডের আঘাতে তার মাথা ফেটে যায় এবং রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন বাদীর বড় বোন আকলিমা বেগম(৬০), মাতা ছবুরননেছা(৭৮), ছোট বোন শাহানাজ বেগম(৪২), মেজো বোন তাসলিমা বেগম(৫৫)ঠেকাতে গেলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করা হয়। এসময় এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদেরকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। দুপুরের দিকে কোহিনূর বেগম, আকলিমা বেগম ও ছবুরননেছার অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এব্যাপারে বিবাদী মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সামান্য হাতাহাতি হয়েছে। ডুমুরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ কনি মিয়া বলেন, অভিযোগ হয়েছে, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।















