মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ অভ্যন্তরে পুরোনো হলরুমের পূর্বপাশে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কৃষি যন্ত্রপাতি ও বীজ সংরক্ষনাগারের জন্য একতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মণের লক্ষে মাটি খোড়ার সময় কিছু কঙ্কাল পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকালে শ্রমিকরা বেজ ঢালাইয়ের জন্য মাটি খুঁড়ছিলেন। এ সময় দুইটি লাশের কঙ্কাল পাওয়া যায়। পুরো এলাকা খুঁড়লে অগণিত মানুষের কঙ্কাল পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুত্র মতে, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় উপজেলা পরিষের পুরোনো হলরুমের (তৎকালীন টিটিডিসি ভবন) ছাদে পাকিস্তানি দোসর ও রাজাকার বাহিনী ক্যাম্প স্থাপণ করেছিলো। ১৯ নভেম্বর বীরযোদ্ধাদের সাথে স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে যুদ্ধ হয়েছিলো। সে যুদ্ধে আহম্মদ, মহম্মদ নামের সহোদর শহীন হন। শহীদ হন মহম্মদ উল্লাহ্ নামের এক ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট সদস্য।
ইপিআর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোজাম্মেল হোসেন জানান, তৎকালীন টিটিডিসি ভবনের ছাদে পাকিস্তানি দোসর ও রাজাকার বাহিনী ক্যাম্প আক্রমণ করে ২১জন রাজাকারকে হত্যা করা হয়েছিল এবং তাদেরকে গণকবর দেয়া হয়েছিল। সে সময়ে এখানে চারটি নারকেল গাছ ছিল। সেই চার গাছের মাঝে এই গণকবর দেয়া হয়। তিনি নিজেও এই অপারেশনে ছিলেন বলে জানান। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আঃ হাই মিয়া বলেন, যে কঙ্কাল পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধীদের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পাল বলেন, বিষয়টি জেনেছি। স্থানীয় কৃষি বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে উর্ধ্বতন কর্তৃপরে সাথেও আলোচনা করা হবে।















