রাশিয়ান পন্য নিয়ে মোংলা বন্দরে বিদেশী জাহাজ “এমভি আনকা স্কাই”

0
164
মাসুদ রানা,মোংলা : পাবনায় নির্মানাধীন রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারিজ পন্যের আরো একটি চালান নিয়ে মোংলা বন্দরে নঙ্গর করেছে “এমভি আনকা স্কাই” নামে বিদেশী বানিজ্যিক জাহাজ। সোমবার (২৯ মে) সকাল পোনে ১১ টার দিকে বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে এসে জাহাজটি নঙ্গর করে । এবারের চালানে এক হাজার ১শ ৪৯ মেট্রিকটন মেশিনারি পণ্য রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৯ টি জাহাজ বোঝাই করে ৮২ হাজার ০৫ মেট্রিক টন পন্য মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে খালাস করা হচ্ছে।
পাবনার ইশ্বরর্দিতে নির্মানাধীণ রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেশিনারীজ পন্য রয়েছে এ জাহাজে । দুপুর ২ টার  (বি-সিফট) পালা থেকে পন্য খালাস শুরু করে শ্রমিক ও পন্য খালাসকারী প্রতিষ্ঠান রহমান এন্টারপ্রাইজ এর প্রতিনিধিরা।
এবারের চালানে ৩শ ৩৯ প্যাকেজে এক হাজার ১৪৯, দশমিক ২৭৯ মেট্রিকটন বিভিন্ন মেশিনারি পণ্য রয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল বিদেশী এ জাহাজটি রাশিয়ার নোভরোস্কি বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে ছেড়ে আসে ভ্যানুয়াটি পতাকাবাহী “এমভি আনকা স্কাই”। জাহাজটি দীর্ঘ নৌ-পথ পাড়ি দিয়ে মোংলা বন্দরে পৌছাতে এক মাস এক দিন সময় লেগেছে।  যা আগামী ৩৬ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দ্রুত সময়ে আধুনিক পদ্ধতিতে দক্ষ জনবল দিয়ে এসব পণ্য বন্দর জেটিতে খালাস শেষে সড়ক পথে নতুন নির্মানাধীন রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান স্থানীয় শিপিং এজেন্ট কনভেয়ার শিপিং লিঃ এর প্রতিনিধি সাধন কুমার।
এর আগে গত ৬ মে দুপুর ১২ টার দিকে ৬শ ৩০ প্যাকেজে এক হাজার ৬২৭ দশমিক ৯০৪ মেট্রিকটন পন্য নিয়ে মোংলা বন্দরে খালাস করেছে বিদেশী বানিজ্যিক জাহাজ “এমভি আনকা সান”।
এ পর্যন্ত রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন মেশিনারিজ যন্ত্রাংশ বোঝাই ৪৯টি বিদেশী জাহাজে বোঝাই মোট ৮২ হাজার ০৫ মেঃ টন পন্য মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস করা হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মীর এরশাদ আলী বলেন, পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় ব্যাবসায়ীদের কাছে মোংলা বন্দরের গুরুত্ব বেড়েছে  এবং তারা এ বন্দরকেই বেছে নিয়েছে। মোংলা বন্দর ব্যাবহার করায় ব্যাবসায়ীদের  অর্থ এবং সময় দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে। মোংলা বন্দরের তুলনায় অন্যান্য বন্দরের দুরত্ব অনেক বেশী তাই দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্পের পন্য এখন এ বন্দর দিয়ে খালাস করা হচ্ছে যা আগামীতেও এখান থেকে খালাস করা হবে। এছাড়া আমদানী-রপ্তানীকারক ব্যাবসায়ীদে সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা দিতে সব সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা কর্মচারী প্রস্তুত থাকে। এ বন্দরকে আধুনিক বন্দরে রুপান্তিত করতে আমরা চেস্টা করে যাচ্ছি বলে জানায় বন্দর চেয়ারম্যান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here