জাহিদ, মনিরামপুর পৌর প্রতিনিধি:যশোরের মনিরামপুরে ১৩ নং খানপুর সহ আশে পাশের কয়েকটি গ্রামের মাঠে কৃষকের সোনালী ফসলের জমিতে শেখ জহুরুল হক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প একাডেমী করার জন্য বেছে নেয়া হয়েছে। যে জমিতে ফসলের চাষাবাদ করে তাদের পরিবারের খাদ্য যোগান দেয়।এবিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে।
কৃষকেরা জানান আমাদেরকে ইং- ৭/৬/২০২৩ তারিখে একটা নোটিশ দেন মাঠে হাজির থাকার জন্যে, অথচ অফিসের কেউ আসেনি কৃষক আমিনুর জানান আমি অফিসের এই ফোন নাম্বারে ০২৪৭৭৭৬২৪৮৩ ফোন করলে কেউ ফোন রিসিভ করেনি জমিতে শেখ জহুরুল হক পল্লী উন্নয়ন একাডেমী করবে কাজ চলছে অথচ আমরা জমির মালিকরা কেউ জানিনা।
কৃষক শহর আলী আরো জানান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছেন কৃষকের কোন ধানি জমি নষ্ট করে যেন সরকারি বেসরকারি কোন প্রকল্প না করা হয়, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই কথা অমান্য করে মণিরামপুরে ধানি কৃষি জমিতে শেখ জহুরুল হক পল্লী উন্নয়ন একাডেমী করার সিদ্ধান্তে চাষীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে এবং প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। মাঠে
কৃষকেরা গনমাধ্যম কে জানান আমাদের জমিতে ধান,পাট,গম,মসুড়ি ইরির চাষ হয় কোটি টাকা দিলেও আমাদের জমি বিক্রি করবো না এ বিষয়ে ডিভ মালিক আব্দুস সালাম বলেন আমার ডিভের আন্ডারে প্রায় ১৫০বিঘা জমি চাষ করা হয় তাতেই দুর্গাপুর, স্বরূপদা, বেগমপুর, আট পাখিয়া, খানপুর, কামালপুরের মানুষ আমার এ ডিভে ইরি ধানের চাষ করে। এ বিষয় কৃষক আলহাজ্ব হায়দার আলী বলেন আমরা দূর্গাপুরের মানুষ বেগমপুরের মানুষ স্বরূপদাহ মানুষ কামালপুরের মানুষ ও ১৩ নং খানপুরের মানুষ এক হয়েছি আমদের জীবন থাকতে কৃষি ফসলের জমিতে কিছুই করতে দেয়া হবে না।আমরা ইউ এন ও সাহেবের কাছে আবেদন করবো ও ডিসি অফিসে যাবো এবং এলাকায় এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবো।এ ব্যাপারে এলাকার কৃষকেরা কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের মাধ্যমে ধানী জমির রক্ষার্থে সুদৃষ্টি কামনা করছে।















