জসিম উদ্দিন, শার্শা : যশোরের শার্শায় গত এক সপ্তাহে ঢাকা থেকে আসা ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী দুই ব্যক্তি সহ পাঁচ জন ডেঙ্গু রুগী সনাক্ত হয়েছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ দিনে দিনে বেড়ে যাওয়ায় এর সংক্রমন এখন গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। ডেঙ্গুর হাত থেকে বাঁচতে ও এর বিস্তার রোধ করতে উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌর কতৃপক্ষ সব ধরনের কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানালেও ডেঙ্গু নিয়ে এখন মানুষের মাঝে এক প্রকার চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। শার্শা ও বেনাপোল পৌরবাসীসহ সচেতন মহল বলছেন যে পরিমাণ মশার উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে করে নির্বিঘ্নে কাজ করা ও চলাফেরা করা কষ্ট দায়ক হয়ে পড়েছে। এছাড়া ঘরে ও ঘরের বাহিরে মশা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। ঢাকা থেকে আসা শার্শার রাজনগর গ্রামের মুক্তার পারভেজের ছেলে আল মামুন পারভেজ বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছি। এসেই জরে আক্রান্ত হয়ে পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। একই কথা বলেন, শার্শার মৃত আক্তারুজ্জামান এর ছলে আজাদ হোসেন। এ নিউজ লেখা পর্যন্ত একই দিনে এিমহিনি শ্যামলা গাছী গ্রামের মৃত ওমর আলীর মেয়ে নাসরিন খাতুন (২৯) ও খরুষা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে মেহেদি হাসান (১৯) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন।
বৃষ্টির সময় এখানে সেখানে ময়লা ও নোংড়া পরিবেশে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার জন্ম হয়। তবে বর্তমান যে সমস্ত ডেঙ্গু রুগী সনাক্ত হয়েছে তারা সবাই আশংকামুক্ত রয়েছে বলে জানান শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা: শুভেন্দু বিশ্বাস। তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত যে কয়জন ডেঙ্গু রুগী চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা সবাই আশংকামুক্ত রয়েছেন। আক্রান্ত রুগীদের যত্ন সহকারে সুচিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু সচেতনতার সতর্কতা ও সার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারায়ণ চন্দ্র পাল বলেন, শার্শা ও বেনাপোল পৌরসভা এলাকা সহ আশেপাশের বাজারঘাট ও মশা পরিবাহী সম্ভব্যস্থান গুলোতে মশার হাত থেকে বাঁচাতে পৌর কতৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসন জীবানুনাশক স্প্রে সহ কার্যকারী পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে। সতর্কতায় হবে জয়। তাই আতঙ্কিত হবার কিছু নেই।















