শার্শায় ড্রাগন চাষে বাজিমাত

0
230
মো: আবুবক্কর সিদ্দিক : যশোরের শার্শা উপজেলায় সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে নয় বছর আগে ড্রাগন ফলের চাষ শুরু করেন রাসেদুল ইসলাম । উপজেলার সীমান্তবর্তী ডিহি ইউনিয়নের সালতা ফুলসারা গ্রামের রাসেদুল ইসলাম চলতি বছরে প্রায় আট বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে ফেলেছেন। তাদের দেখাদেখি উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ করে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছে। চাষী রাসেদুল বলেন, ঢাকা ও খুলনার বাজারে ড্রাগনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ঢাকার কারওয়ান বাজারে এ বছরের প্রথমে ড্রাগন ফল বিক্রি করেছি প্রতিকেজি ৭শ’ টাকা দরে। এখন বিক্রি হচ্ছে তিন’শ থেকে চার’শত টাকায় । তিনি আরও বলেন, বিঘা প্রতি জমিতে ড্রাগন চাষ করতে সর্বমোট খরচ হয় ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা। বছর শেষে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দুই থেকে তিন লাখ টাকা ড্রাগন ফল বিক্রির আশা করছেন তিনি। সাত বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করেছেন রাসেদুল। জানা যায়, ‘পরীক্ষামূলকভাবে নয় বছর আগে ড্রাগন চাষ শুরু করেন। এবছর কয়েক ধাপে কয়েক লক্ষ টাকার ফলন বিক্রি হয়েছে। আজ আমি স্বাবলম্বী। এটি একটি লাভজনক চাষ। তবে প্রথম অবস্থায় অন্য চাষের থেকে টাকা পয়সা খরচ বেশি হয়। প্রথম থেকেই কৃষি সম্প্রসারণ থেকে সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছে বলেও জানান রাসেদুল ইসলাম।  এ বিষয়ে উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তরুন বালা বলেন, দিন দিন শার্শাতে বানিজ্যিক ড্রাগন বাগান বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ড্রাগন চাষে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার বেশি প্রয়োজন হয় না। পর্যাপ্ত পরিমান জৈব সার ও সঠিক পরিচর্যা করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। জাতভেদে এবং বাগান ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করে ১২-১৪ মাস বয়স হওয়ার পর গাছে ফল আসতে শুরু করে। বাজারে ড্রাগন ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো মানের ড্রাগনফল প্রতি কেজি বাজারে ৩শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here