নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের আকবপুর মধুরগাতি চাকই রুখালী (এএমসিআর) সামুতুল্য মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির ৩টি পদে ৩০ লক্ষ টাকার নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে। বিগত সময়ে সাজানো এই নিয়োগের বিষয় অভিযোগ উঠলে নিয়োগ পরিক্ষা বাতিল করেন নিয়োগ বোর্ড। কিন্তু সুচুতুর প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মোটা অংকের টাকায় নিয়োগ বোর্ড কে ম্যানেজ করে আজ( ৩ সেপ্টেম্বর) নিয়োগ পরিক্ষার দিন তারিখ ধার্য করেছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এ.এম.সি.আর সামুতুল্য মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক, নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি গোপন করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। অফিস সহায়ক পদে বিদ্যালয়ের সভাপতি হাবিুর রহমান ফকিরের ভাই নুরো ফকিরের ছেলে সেলিম ফকির, নৈশ প্রহরী পদে ইদ্রিস মোল্যার ছেলে ইউসুফ মোল্যা ও আয়া পদে মোঃ জাহাঙ্গীরের স্ত্রী সোনিয়কে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি চু’ড়ান্ত করা হয়েছে। আর এসব নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কোরাম পূর্ণ করতে প্রতি পদে ২জন করে প্রক্সি প্রার্থীকে দিয়ে আবেদন করানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সভাপতি হাবিবুর রহমান ফকির বলেন, আমরা চতুর্থ শ্রেণির ৩টি পদে নিয়োগের জন্য বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাই আর কেউ আবেদন করেনি। এখানে টাকার বিনিময়ে কিছু করা হচ্ছে না।
প্রধান শিক্ষক মুন্সী জহুরুল ইসলাম বলেন, ৩ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি নিয়োগ দেওয়া হবে। এখানে টাকার কোন সম্পর্ক নেই। আমি মুন্সী জহুরুল ইসলাম কোন টাকা লেনদেনের সাথে জড়িত নই। আমার আর মাত্র কয়েকদিন চাকরি আছে। তবে প্রতিষ্ঠানে যাদের অবদান রয়েছে তাদের প্রার্থীদের নেওয়া হচ্ছে।
অফিস সহায়ক পদে বিদ্যালয়ের সভাপতি হাবিবুর রহমান ফকিরের ভাই নুরো ফকিরের ছেলে সেলিম ফকির, নৈশ প্রহরী পদে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন দাতা সদস্য পরিবারের ইদ্রিস মোল্যার ছেলে ইউসুফ মোল্যা, আয়া পদে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী সোনিয়া নামের গ্রামের অসহায় গরীব একটি মেয়েকে নেওয়া হবে।
সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুলতান মাহমুদ বলেন, ৩ তারিখ ( রবিবার ) এ.এম.সি.আর সামুতুল্য মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩ জন চতুর্থ শ্যেণির কর্মচারি নিয়োগ পরীক্ষা আছে। তবে, প্রার্থী চ’ড়ান্ত করার বিষয়ে আমার জানা নেই, এ ব্যাপারে আমি খোঁজখবর নেব।















