বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার  দাবীতে ঝিনাইদহে  বিক্ষোভ সমাবেশ।

0
149
কামরুজ্জামান লিটন ঝিনাইদহ : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবীতে মিছিলে মিছিলে  বিভিন্ন বিভিন্ন  স্লোগানে উত্তাল ছিল ঝিনাইদহ জেলা শহর।
গত ১৫ বছরের মধ্যে সোমবার ( ৯ অক্টোবর ) ছিল ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সবচেয়ে বড় শোডাউন। এক দফার দাবী আদায়ে হাজারো হাজারো বিএনপি নেতাকর্মী জেলার ৬ উপজেলা থেকে সমবেত হয় ঝিনাইদহ শহরে। নেতাকর্মীদের গগনবিদারী শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ঝিনাইদহ। শহরের অলিগলি দিয়ে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সামিল হয় মুল মিছিলে। সকাল ১১টার দিকে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব, আরাপপুর, চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড, মডার্ণমোড়, পবহাটি, আদর্শপাড়া, হামদহ ও উজির আলী স্কুল এলাকাসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিল নিয়ে শহরে প্রবেশ করে। কিন্তু স্থান সংকুলান না হওয়ায় প্রেসক্লাব থেকে উজির আলী স্কুল মাঠ পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হাটের রাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ঝিনাইদহ শহরের পোষ্ট অফিস মোড়ে যানজট দেখা দেয়। সাধারণ লোকের মুখে শুনা যাই এত বড় হাজার হাজার লোকের মিছিল বিএনপির আগে দেখিনি।
মিছিল শেষে শহরের হাটের রাস্তায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা,  জেলা বিএনপি সহ সভাপতি  মুন্সি কামাল আজাদ পাননু,
 জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুর রহমান পপ্পু,  জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা,  এ্যাডঃ শামসুজ্জামান লাকি,মাহবুবুর রহমান শেখর, আলমগীর হোসেন আলম, শাহজাহান আলী, জিয়াউল ইসলাম ফিরোজ, জাহাঙ্গীর হোসেন, যুবদল নেতা আহসান হাবিব রণক, আশরাফুল ইসলাম পিন্টু, মোস্তাক আহমেদ, মনিরুল ইসলাম, জাসাস এর জেলা সদস্য সচিব কামরুজ্জামান লিটন, আঃ রশিদ মোহন,  মহিলা দলের কামরুন নাহার লিজি, তহুরা খাতুন,  ছাত্রদল নেতা সোমেনুজ্জামান, মুশফিকুর রহমান মানিক, শাহেদুর রহমান শাহেদ,  শ্রমিক দল নেতা আবু বকর, টোকন জোয়ারদার, রুহুল আমিন পিকুল ও রেজাউল ইসলাম সহ ছয় উপজেলার নেতারা আরো অনেক  উপস্থিত ছিলেন।
 সমাবেশে প্রধান অতিথি এ্যাডভোকেট এম এ মজিদ বলেন, দ্রুত  সময়ের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে হবে। নইলে পরবর্তী পরিস্থির জন্য এই সরকার দায়ী থাকবে। তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা তলে তলে ঠিক থাকার কথা বললেও এই সরকারের তলা ফেটে পানি উঠতে শুরু করেছে। যে কোন সময় বঙ্গপোসাগরে ডুবে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here