চুড়ামনকাটি (যশোর) প্রতিনিধি ॥ যশোর সরদরের চুড়ামনকাটি বাজারে নানান সবজীর মাঝে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় ফুল শাপল। ক্রেতাদেরও দেখা গেছে শাপল ফুল কেনার প্রতি যথেষ্ট আগ্রহ। বিক্রেতাও শাপলা বিক্রি করে মুখে ফুটেছে শাপলার হাসি। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের মাইজদিয়া গ্রামের কবির আলী নামে পরিচিত ব্যক্তির জীবন জীবিকার অন্যতম অবলম্বন হলো জাতীয় ফুল শাপলা। নড়াইল জেলার বিভিন্ন অঞ্চল হতে সারাদিন ফুল সংগ্রহের কাজ করেন। দিন শেষে ভ্যানে যোগে যশোরের চুড়ামনকাটি, বারীনগর (সাতমাইল) ও বারোবাাজারে বিক্রি করেন। এছাড়া ঝিনাইদহ, নড়াইল ও মাগুরা জেলার ছোট বড় প্রায় সব বাজারেই তিনি ফুল বিক্রি করে বলে জানান। কবির আলী বলেন, যশোরের বড় বাজার, নড়াইল ও ঢাকার কাওরান বাজার শাপলা ফুলের বড় পাইকারী বাজার। নড়াইলে যেয়ে যারা ফুল তোলে তাদের কাছ থেকে কিনলে ৩/৪ টাকায় মুঠো কেনা যায়। বাজারের মোকাম হতে কিনলে ৫/৬ টাকায় মুঠো কিনতে হয়। আমি বিক্রি করি ৮/১০ টাকার ভিতরে। শরতের এই সময় যারা ফুল তোলে ও আমরা যারা বিক্রি করি সবাই মোটা মুটি এই ফুলের উপর নির্ভরশীল।
সারা বিশ্বে প্রায় ৫০ প্রজাতীর শাপলা ফুল থাকলেও আমাদের নদী মাতৃক দেশে ২ প্রজাতীর শাপল দেখা যায়। ১৯৭১ সালের ১২ মার্চ শাপলা ফুলকে জাতীয় প্রতীকে ঘোষনা করা হলেও ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী সেটি জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদা লাভ করে। স্বাধীনতার পর থেকে টাকা ও পয়সা ছাপানো থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পূর্ণ সকল স্থানে ছিল মোহরে স্থান পেয়েছে এই শাপলা ফুল। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর বহনকারী গাড়িটির সামনেও এই শাপলা ফুলটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদার স্থান পেয়েছে।















