শার্শায় নৌকার লোকজন হুমকি-ধামকিতে মামা জামায়াত নেতাকে নিয়ে লিটনের প্রচারণা : নাশকতার শংকা

0
227

(শার্শা) : মামা জামায়াত নেতা আব্দুল ওয়াদুদ দুদুর ঘাড়ে ভর করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভাগ্নে যশোর- ১ (শার্শা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম লিটন। ভোট চাওয়ার নামে নৌকার কর্মী-সমর্থক ভোটারদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ফলে নৌকার পক্ষের লোকজন ব্যাপক আতংকে রয়েছে। বিভিন্ন সভায় লিটন হুমকি ধামকিমূলক কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছেন । এক সভায় হাত কেটে নেয়ার হুমকির বক্তব্য ভাইরাল হয়। এঘটনায় তার বিরুদ্ধে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। কি অবস্থায় সেই অভিযোগ আছে তা কেউ জানেনা। ফলে অজানা এক আতংকের মধ্যে কাটছে নৌকার লোকজনের। পাশাপাশি লিটনের মামা জামায়াত নেতা দুদু মাঠে থাকায় অনেকে আগুন সন্ত্রাস অথবা নাশকতা হামলার আশংকা করছে। বিষয়টি নিয়ে শার্শার আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মাঝেও আতংক দেখা দিয়েছে। তারা নৌকার প্রচারণায় যেতেও ভয় পাচ্ছে কখন না হামলা হয়।
শার্শা আওয়ামী লীগ সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু বলেছেন, আমরা চরম আতংকের মধ্যে আছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী লিটনের কর্মকাণ্ডে রীতিমত নৌকার লোকজন আতংকিত। গণসংযোগ চালাতেও আমরা আতংকের মধ্যে দিন পার করছি। সম্প্রতি হাত কেটে নেয়ার বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হলে লিটনের বিরুদ্ধে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুই হয়নি। এখন দেখছি জামায়াত ক্যাডার তার মামা দুদুকে নিয়ে প্রচারণায় নেমেছে। এজন্য আমরা নাশকতার আশংকা করছি।
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিনও গণসংযোগ পথসভা করতে গিয়েও আতংকের মধ্যে রয়েছেন। শংকার মাঝেও তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন গণসংযোগ।
বিভিন্ন সভায় তিনি তার শংকার কথা জানাচ্ছেন। শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত যারা আগুন সন্ত্রাস করে নিরীহ মানুষকে হত্যা করছে, ৭ জানুয়ারির ভোটে বাঁধা প্রদানের হুমকি দিচ্ছে। সেই জামায়াত-বিএনপির সাথে গোঁপন আতাত করে নৌকার বিরোধিতা করে ক্ষমতায় আসতে চাইছে ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী। নৌকা আমার একা মার্কা না, এ মার্কা শেখ হাসিনা আমাকে দিয়েছেন। তাই শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট দিয়ে কঠিন জবাব দেওয়ার আহবান জানান তিনি।
এমপি আফিল উদ্দিন এক নির্বাচনী সভায় বলেন, বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত তারা ভোটে আসবে না ভোট বর্জন করেছে, আরেকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা ভোট প্রতিহত করবে। তারা বিভিন্ন আন্দোলনের নামে অবরোধের নামে ট্রেন পোড়াচ্ছে বাস পোড়াচ্ছে, ট্রেনের যাত্রী ছোট্ট বাচ্চা তার মায়ের বুকে ছিল তাকেও জলন্ত পুড়িয়ে হত্যা করেছে বিএনপিরা। এরা কারা ? এরা স্বাধীনতার শত্রু, এরা শান্তির শত্রু। এরা শান্তি চায় না। আর স্বাধীনতার শত্রুদের সাথে মিশে আওয়ামী লীগ নামধারী কিছু নেতাকর্মী তাদের সহযোগিতা নিয়ে ভোট মাঠে আসবে। তারা শান্তি বিনষ্ট করার জন্য চেষ্টা করছে।
সভায় শান্তিপ্রিয় মানুষের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা কি শান্তি বিনষ্ট করতে দেবেন? তখন সমস্বরে সবাই বলে ওঠে, না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here