বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগে নষ্ট থার্মাল স্ক্যানিং, ঝুঁকি বাড়ছে করোনা সংক্রমনের

0
145
জসিম উদ্দিন, শার্শা : বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের জেএন.ওয়ান  নতুন উপধরণ সংক্রমন রোধে স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
কিন্তু ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগে পূর্বের থার্মাল স্ক্যানিংসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে পড়ে থাকায় কার্যক্রম ব্যহত হওয়ায় সংক্রমনের ঝুকি বাড়ছে। তবে স্বাস্থবিভাগ বলছে থার্মাল স্ক্যানারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যোগান পাওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
বেনাপোল আমদানি রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত -বাংলাদেশের মধ্যে দেশি-বিদেশি ৭ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ও ৬০০ পন্যবাহী ট্রাক দেড় সহস্রধীক ট্রাক চালকেরা আসা যাওয়া করে। এদের মাধ্যমে সংক্রমন ছড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
ভারতগামী কয়েকজন পাসপোর্টধারী যাত্রীরা জানান, বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী ও যাত্রীদের মধ্যে মাস্ক ব্যবহারের আগ্রহ কম দেখা গেছে।  তারা নিজেরা সচেতন ও যাত্রীদের সচেতন করলে সুরক্ষা জোরদার হবে।
ভারতগামী আর এক যাত্রী আসলাম জানান,  ঘরে বসে থাকলেতো আর জীবন চলবেনা। সরকারের নির্দেশনা মেনে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে পথ এগোতে হবে। আর এ  সতর্কতা কেউ না মানলে আবারো পিছনের পরিস্থিতির সন্মুখিন হতে পারে।
পাসপোর্টযাত্রী কবির হোসেন জানান, চিকিৎসার জন্য পরিবারের সাথে ভারতে যাচ্ছেন। বন্দর ও কাস্টমস স্বাস্থ্য বিভাগে যারা দায়িত্বে আছেন তারা সচেতনতার বিষয়ে কিছু বলেনি। তবে এখন যেহেতু শুনলাম সচেতন থাকার চেষ্টা করবো।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার মরিয়ম খন্দকার জানান, করোনার জেএনডটওয়ান নতুন উপধরণ সংক্রমন রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ সুরক্ষা বাড়াতে  নির্দেশ দিয়ে চিঠি দিয়েছেন ।
যাত্রীদের সচেতন ও  হ্যান্ড  থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে সন্দেহ ভাজন যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন। তবে  থার্মাল স্ক্যানিং সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জম নষ্ট থাকায় কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। আধুনিক যন্ত্রাংশ সরবরাহের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here