মিঠুন দত্ত: যশোরের অভয়নগর উপজেলায় তিন বে-সরকারি
হাসপাতালে ১ লাখ পঞ্চান্ন হাজার টাকা
জরিমানা করেন ও অবৈধ স্পিড রাখায় ১
জনের জেল প্রদান করেন। বুধবার সকাল থেকে
বিকাল পর্যন্ত এঅভিযান চালায় র্যাব ও
উপজেলা প্রশাসন। সরকারি হাপাতাল রেডে
অবস্থিত তিনটি বেসরকারি হাসপাতালে
নানা অনিয়ম ধরা পড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত
বসিয়ে জরিমানা করা হয়।
দন্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ফাতেমা
প্রাইভেট হাসপাতাল, এল বি হাসপাতাল এন্ড
ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও আরগ্য সদন
হাসপাতাল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্বস্থ্য
মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বুধবার সকাল ১২ টায়
র্যাব-৬ যশোর এর স্কোয়ার্ড কমান্ডর এ এসপি ফয়সাল তানভীর এর নের্তৃত্বে একটি
অভিযানিক দল অভয়নগরে আসে। এ সময়
উপজেলা নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট ও সহকারি
কমিশনার(ভূমি) থান্দার কামরুজ্জামান ও
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি
ডা.আলিমুর রাজিবকে নিয়ে অভিযানে
নামে। অভিযানে ফাতেমা প্রাইভেট
হাসপাতালে
কর্তব্যরত ডাক্তার না থাকায়, অতিরিক্ত শয্যা
রাখায়, বজ্য ব্যবস্থা না থাকার দায়ে ভোক্তা
অধিকার আইনে এক লাখ টাকা জরিমান করে
তা আদায় করেন। এল বি হাসপাতাল এন্ড
ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লাইন্সেস নবায়ন
নাই(সাত বছর), অতিরিক্ত শয্যা রাখায়
মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং প্রাইভেট
ক্লিনিকে ল্যাবরেটারী আইনের ৫ হাজার
টাকা জরিমানা করে তা আদয় করা হয়।
আরগ্য সদন হাসপাতালে অতিরিক্ত শয্যা
রাখায়,পরিক্ষার মূল্য তালিকা থেকে অতিরিক্ত
মূল্য নেওয়ায় ভোক্তা অধিকার আইনে ৫০
হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়। এ ছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে
সতর্কবার্তা জারি করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে নির্বাহী
ম্যজিস্ট্রেট থান্দার কামরুজ্জামান বলেন,
স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ মোতাবেক
অভিযান চালানো হচ্ছে। উপজেলার সকল
বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক
সেন্টারে পর্যায়ক্রমে অভিযান চালানো
হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযান
শেষে ফেরার পথে নওয়াপাড়া বাজারে মেসার্স
তামিম হার্ডওয়ার এন্ড টুলস্ধসঢ়; নামের এক
প্রতিষ্ঠানে অবৈধ ক্ষতিকারক স্পিড রাখার
দায়ে আতাউর রহমান(২৯) নামে একব্যক্তিকে
মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে ১ দিনের জেল ও ১শত
টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় উপস্থিত
ছিলেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের উপ
পরিদর্শক এস এম শাহিন পাভেজ সহ আইন
শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।















