আনিছুর রহমান:-মনিরামপুর উপজেলার গৌরীপুর ও রতনদিয়া গ্রাম সংলগ্ন মহাকুড়ের পানি বের করার একমাত্র ক্যানেলটি কিছু অসাধু ঘের ব্যবসায়ীরা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে মহাকুড়ের পানি নিস্কাশন হতে না পারাই এখানকার জমিগুলোতে ইরি চাষ করা যাচ্ছেনা। এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। স্থানীয় বিভিন্ন কৃষক সুত্রে জানা যায়, মহাকুড় বিলের পানি নিস্কাশনের জন্য একটি ক্যানেল রাখেন দুপাশের জমির মালিকরা। ওই ক্যানেল দিয়ে মহাকুড় বিলের পানি দীর্ঘকাল নিস্কাশন হয়ে থাকে। কিন্তু ক্যানেলের পাশ দিয়ে যে সকল ঘের মালিক রয়েছে তারা সম্প্রতি ময়লা আবর্জনা ও মাটি দিয়ে ক্যানেলটি প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। আবার কোথাও কোথাও ঘের সংস্কার কিংবা নতুন ঘের তৈরী করে ক্যানেলটি বন্ধ করে দিয়েছে।
ফলে ক্যানেল দিয়ে মহাকুড়ের পানি বের হতে না পারাই সেখানকার জমি গুলোতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এ বছর কৃষকরা ওই সকল জমি ইরি ধান রোপন করতে পারছে না। যদিও কেউ কেউ ধান রোপন করছে তাও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ডুবে যাচ্ছে। তাই ক্যানেলটি যাতে বন্ধ না হয় তার জন্য প্রতিকার চেয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারী স্থানীয় রতনদিয়া ও গৌরীপুর গ্রামের কৃষক মিঠু, হাফিজুর, রফিকুল, সিরাজুল, ইকরামুল, আব্দুল হান্নান,সহ ১২ জন স্বাক্ষরিত একটি লিখিত আবেদন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট। এ বিষয়ে কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, মহাকুড়ে আমারসহ অনেকের জমি রয়েছে, সেখানকার পানি ক্যানেল দিয়ে বের হতে না পরাই ধান রোপন করতে পারছি না। কিছু অসাধু ঘের ব্যবসায়ীর কারনে আজ এই পরিনতি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মেম্বর সাইফুল্লার সাথে কথা হলে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন, ক্যানেলটি দিয়ে দীর্ঘকাল মহাকুড়ের জমির পানি বের হয়। আমি চায় ক্যানেলটি পূর্বের ন্যায় ফিরে আসুক। তা না হলে দিন দিন আরো বেশি পরিমান জমি পানিতে ডুবে যাবে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সরদার বলেন, ক্যানেলটি যারা বন্ধ করছে তারা মহা অন্যায় করছে। আমি চায় ঘের মালিকরা দ্রুত ক্যানেলটি পরিস্কার পরিছন্ন করে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করে দিক। তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে অতিদ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।















