পাইকগাছা প্রতিনিধি : খুলনার পাইকগাছায় চোখে আঠা জাতীয় পদার্থ ‘গ্লু’ লাগিয়ে ধর্ষণ, অস্ত্র, চুরি, মাদক সহ পৃথক ৪টি মামমলা হয়েছে। ওই মামলার প্রধান আসামি এনামুল পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে বিজ্ঞ বিচারক আনোয়ারুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাইকগাছা থানার (ওসি) তদন্ত তুষার কান্তি দাশ। শনিবার সকালে গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ইমামুল জোয়াদ্দার ওরফে এনামুলকে গত ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর রাড়ুলী ইউনিয়নে এক গৃহবধূর রাইসকুকারে ভাতের সাথে চেতনানাশক বড়ি মিশিয়ে দেয়। পরে রাত ২টার দিকে ঘরে ঢুকে মূল্যবান জিনিসপত্র নেয়। এক পর্যায় গৃহবধূর ঘুম ভেঙ্গে গেলে সে প্রথমে হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে। তারপর পকেটে থাকা সুপার গ্লু ওই গৃহবধুর চোখে লাগিয়ে দেয়। এসময় চিৎকার করলে এনামুল শাবল দিয়ে তার ঘাড়ে আঘাত করে। এতে রক্তক্ষরণ হলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর তার হাত-মুখ বেঁধে তাকে শারীরিক লাঞ্চিত করে। পরে তার কান থেকে দুল টান নিতে গেলে কানের লতি ছিড়ে পুনরায় রক্তক্ষরণ হয়। পাইকগাছা থানা পুলিশ গত ১৫ ফেব্রয়ারী কপিলমুনি ইউনিয়নের কাশিম নগর এলাকা থেকে রাতে ইমামুল জোয়াদ্দার ওরফে এনামুলকে (২৩) ওয়ানস্যুটার গান, চেতনানাশক বড়ি ও মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া চোরাই স্বর্ণালংকার কেনার অভিযোগে সুমন হালদার, চুরি হওয়া মোবাইল হেফাজতে থাকায় এনামুলে মা রাশেদা বেগম ও একই এলাকার আ. সামাদ নামের আরেক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চুরি মামলা হয়েছে।















