শিক্ষার্থী নির্যাতনে বিচার চেয়ে মানববন্ধন, অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন সভাপতি- সম্পাদকের  মানববন্ধনে ৬দফা দাবি শিক্ষার্থীদের  উপাচার্যকে ঘেরাও  স্বার্থে হাসিলে ঘটনা ভিন্ন খাতে: ছাত্রলীগ সভাপতি/সম্পাদক  অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা দাবি  প্রকৃত ঘটনা তদন্তে ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটি

0
143

যবিপ্রবি প্রতিনিধি : সালাম না দেওয়ায় শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় বিচার চেয়ে ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন ও
অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাধারণ
শিক্ষার্থীরা। এদিকে ব্যক্তিস্বার্থে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন
করেছে যবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ (একাংশ)। দুই বন্ধুর মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে একটি পক্ষ
উদ্দেশ্যপ্রণোদীতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছে বলে দাবি করা হয়েছে। সোমবার
(১৯ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রি.) বেলা এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে
মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি)
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে করা হয় সংবাদ সম্মেলন।
দুপুরের দিকে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন তার কার্যালয়ে
প্রবেশ করতে গেলে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ঘেরাও করে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
এসময় তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন করে শীঘ্রই দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে,
বহিস্কৃত ও অছাত্রদেরকে হলে তল্লাশি চালিয়ে বের করে দেওয়া হবে, ছাত্রীদের সাথে অশোভন ও
কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিষয়টি তদন্তাদীন রয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই প্রশাসন ব্যবস্থা
নিবে, হলকে মাদকমুক্ত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি ও হলে কোনো অছাত্র,
বহিষ্কৃত ও মাদক বিষয়ে আমাকে ইনফর্ম করলে সরাসরি হলে এসে এদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা
নিবো। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদক জানান, ঘটনার দিন ভুক্তভোগী
শিক্ষার্থীর সাথে সভাপতির দেখাই হয়নি। লুঙ্গি পরে সালাম না দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এ কারণে
মারধরের অভিযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ম্যানেজমেন্টের রকির সাথে ভুক্তভোগী
মাঞ্জুরুলের ব্যক্তিগতভাবে কোনো বিষয়ে বিরোধ ছিল। যে কারণে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হতে
পারে। শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা আরও বলেন, সে ঘটনাটির সুবিধা নিতে
ছাত্রলীগের কিছু বিপদগামী নেতাকর্মী ও অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য ও
বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে ছাত্রলীগের নাম খারাপ করছে আমাদের শাখা ছাত্রলীগ থেকে ওই দিনের
ঘটনার আমরা তদন্ত শুরু করেছি। আমার সংগঠনের কেউ দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনে
সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিব। এছাড়া ঐদিন রাতে শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম ইকরামুল কবির দ্বীপের
বিরুদ্ধে সহ সভাপতি নাজমুস সাকিবকে হেনস্তা ও লাঞ্চনার অভিযোগ আনা হয়েছে। এবিষয়ে
যবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাকিব। তবে ইকরামুল কবির
বলেছেন নাজমুস সাকিবের সাথে এমন কিছুই হয়নি। এটা পুরোপুরি বানোয়াট কথা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here