আনিছুর রহমান:- যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের পানিছত্র গ্রামে হতদরিদ্রদের মাঝে সরকারী ভাবে বাথরুম প্রদান করা হয়েছে। ঐ বাথরুমের কাজ করার জন্য একই গ্রামের বজলুর রহমান নামের এক ব্যক্তি সাব-ঠিকাদার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বজলুর রহমান বাথরুম প্রাপ্তদের কাছ থেকে ১০ থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছে । এর মধ্যে
সরকারি বার্থরুম প্রাপ্ত পানিছত্র গ্রামের মালিক শরিফুল ১২ হাজার, জিয়ারুল ৫ হাজার, শাহাজান ১০ হাজার, সুলতান শেখ ১০ হাজার, কালাম ১০ হাজারসহ অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বজলুর রহমান। এ ছাড়া আবুল হোসেন বলে আমার কাজ করা পাওনা টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা মত কেটে নিবে। আরো গোপীকান্তপুর গ্রামের আছিরুদ্দীন ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন প্রকল্পের কাজ করার সুবাদে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভালো সখ্যতা গড়ে উঠায় বজলুর রহমান বিভিন্ন এলাকার মানুষের সাথে সরকারি বাথরুম দেওয়ার জন্য ১০ থেকে ১৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে পানিছত্র গ্রামের একাধিক সুবিধাভোগীদের সাথে কথা হলে তারা সাব-কন্ট্রাক্টার বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, ৩৫০০ টাকার পরিবর্তে ১০ থেকে ১৬ হাজার টাকা নিয়ে একটি বাথরুম দিয়েছে। এছাড়াও দুস্তদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাথরুম তিনি ধনাঢ্য পরিবারের মাঝেও বিতারন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এবিষয়ে বজলুল রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে একাধিকবার জানার চেষ্টা করলেও সে বিষয়ে কথা বলতে চায়নি। চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সরদার বলেন,সাব-কন্ট্রাক্টার বজলু যদি দূর্নীতি করে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে থাকে তাহলে সেটা অবশ্যই অন্যায় করেছে। আমি বিষয়টি নিশ্চিত হলে তার ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সুপারিশ করবো।
উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা দেব কুমার মন্ডল বলেন,বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আগেও পেয়েছি। তবে সুনির্দিষ্ট ভাবে কোন অভিযোগ পাইনি। তবে আপনারা যে অভিযোগ করেছেন সে বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষ সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।















