স্টাফ রিপোর্টার : বাঁচার আকুতি জানিয়ে ভিডিওকলে কথা বলতে বলতেই মারা যান কামরুল হাবিব রকি। ঢাকার বেইলি রোডের আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে যায় তার স্বপ্ন। চাকরি করে পরিবারের হাল ধরতে মাত্র দু’মাস আগে কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে চাকরি নেন যশোরের কামরুল হাবিব রকি (২১)। কর্মরত ছিলেন ঢাকার বেইলি রোডের কাচ্চিভাই রেস্টুরেন্টে। তিনি যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার বেইলি রোডে আগুন লাগলে তার মধ্যে আটকা পড়ে মারা যান রকি। দুই মাস আগে বাড়ি থেকে ঢাকায় গিয়েছিলেন চাকরির জন্য। বাড়ি ফিরলেন লাশ হয়ে। তাই শোকের মাতম চলছে সদর উপজেলার ধোপাখোলা গ্রামের বাড়িতে। শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে তার লাশ পৌঁছায় গ্রামের বাড়িতে। তার মৃত্যুতে সংবাদে স্বজন, প্রতিবেশীরা ভিড় করেন একনজর দেখার জন্য। তাদের আহাজারি, কান্নায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত রকির মামা জিহাদ হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে রকির ম্যাসেঞ্জারে ভিডিও কল দিয়েছি, সে রিসিভ করেনি। পরে আমাকে কল ব্যাক করে বাঁচানোর আকুতি জানায়। আমাকে বলে মামা আমাদের ব্রাঞ্চে (কাচ্চিভাই বেইলি রোড শাখা) আগুন লাগছে। আমি আটকা পড়েছি। আমাকে বাঁচাও। কিছুক্ষণ পর কল কেটে যায়। আমি ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি জানাই। তারা জানায় উদ্ধার কাজ চলছে, ধৈর্য্য ধরুন। এরপর আমি ঢাকায় রওনা হই। সেখানে হাসপাতালে পাই রকিকে। ততক্ষণে তাকে মৃত ঘোষণা করেছে।’ তিনি বলেন, আমিই রকিকে ঢাকায় নিয়ে গিয়েছিলাম। ওর চাকরির পর আমিই ঢাকা চিনিয়েছি। গত ডিসেম্বরে রকি চাকরিতে ঢুকেছে। আজ ওর লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। নিহত রকির ভাই কামরান হোসেন সাজিম বলেন, তার ভাই আলিম পাস করে গত ডিসেম্বর মাসে কাচ্চিভাই রেস্টুরেন্টে ক্যাশিয়ার-পদে চাকরি নেন। বৃহস্পতিবার সেখানে কর্মরত অবস্থায় আগুন লাগে। তিনি ভবনের ভিতরে আটকা পড়েন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় মারা যান। আগুনের ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে তার মরদেহ বাড়িতে এসেছে। কামরান হোসেন সাজিম বলেন, আমাদের তিন ভাইয়ের মধ্যে রকি সবার বড়। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে চাকরি করে সংসারের হাল ধরেছিল। বাবা ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালায়। তাদের দু’জনের আয়ে আমাদের সংসার চলত। ভাইকে এভাবে হারাতে হবে কখনো কল্পনাই করিনি। এদিকে, নিহত রকির বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশ ভারি হয়ে উঠেছে। প্রতিবেশীরাও রকির স্মৃতিচারণ করে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন। স্বজনদের সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন তারা। রকির মা রিপা বেগম ও বাবা কবির হোসেন সন্তানের শোক বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। শুধু সন্তানের জন্য মাতম করছেন তারা।
আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন বিএনপির...
স্টাফ রিপোর্টার ।। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোর সদর...
দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে যশোরে নাগরিক সমাজের মানববন্ধন
যশোর অফিস : দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিরোধ ও বিচারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন করেছে নাগরিক সমাজ।
সোমবার বেলা...
বেনাপোল স্থলবন্দরে অধিকাল ভাতা বন্ধ, কর্মচারীদের ব্যানার টানিয়ে প্রতিবাদ
যশোর অফিস : যশোর জেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত কর্মচারীদের সরকার নির্ধারিত অফিস সময়ের পর অতিরিক্ত কাজের বিপরীতে প্রাপ্য অধিকাল ভাতা বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ...
মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ী আটকের অভিযোগে যশোরে সংবাদ সম্মেলন
যশোর অফিস : ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় বড় ভাইকে আটক করার অভিযোগ তুলে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাঘারপাড়া উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল...
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর সদর উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা...
স্টাফ রিপোর্টার : সোমবার সকাল ১১টায় যশোর সদর উপজেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন
শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে...















