কোটচাঁদপুরে প্রচন্ড তাপদাহে একটু শস্তি পেতে দুর্গন্ধ নোংরা পানিতে কুকুর 

0
220
মোস্তাফিজুর রহমান-কোটচাঁদপুরয়ঃ প্রচন্ড তাপদাহে পুড়ছে কোটচাঁদপুরের জনপদ। চরম দুর্ভোগে মানুষ সহ পশুপাখি। গরম আর গরম, ভ্যাপসা গরম, তপ্ত হাওয়া, সর্বত্র  গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপদাহ। গত কয়েকদিন যাবৎ কোটচাঁদপুরের উপর দিয়ে চলমান প্রখর রৌদ্র আর প্রচন্ড তাপ, নিকট অতীতে কোটচাঁদপুর বাসি এমন ভয়ানক গরম দেখতে পাইনি, এবং অনুভবও করতে পারেনি। বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ, ছয় ঋতুর অন্যতম গ্রীষ্ম ঋতু। এই ঋতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো সুুর্যের প্রখর তাপ আর গ্রীষ্মের তাপদাহ তবে বর্তমান সময় গুলোতে যে ভাবে গরম পড়ছে তা কেবল চিন্তার বিপরীত নয়, অকল্পনীয় ঘটনাই বলা যায়। আমাদের দেশের ছয় ঋতু বর্তমান সময়ে ক্ষয়িষ্ণু হয়ে গুটি কয়েক ঋতুতে পরিনত হয়েছে। আর এই হ্রাস পাওয়া ক্ষয় হওয়া ঋতুর মধ্যে অন্যতম গ্রীষ্ম ঋতু, বর্তমান সময়ে  মাস চলছে বৈশাখ। বর্তমানের তাপে জনজীবন অস্তির এবং অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে। দিনের আলো উকি দিতে না দিতেই রৌদ্রের প্রখরতা চলমান থাকে, জনসাধারন রৌদ্র আর গরমের আতঙ্কে ঘরের বাইরে আসতে চাইছে না সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করা মানুষগুলো। পুকুরে পানি নেই, শুকিয়ে গেছে পুকুরে পুকুরে চলছে পানি শুকিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি। আর এমন প্রস্তুতিতে থেমে নেই টিউওয়েলগুলো।  তবে প্রচন্ড এই গরম আর তাপদাহে যেন খেটে খাওয়া মানুষ গুলো আর পারতেছে না। কোটচাঁদপুরে এই গরম থেকে একটু ঠান্ডার পরশ পেতে কেহ নদী,  পুকুর, বরিংয়ের পানিতে ভিজতে দেখা যাচ্ছে। পশু  পাখিকেও দেখা যাচ্ছে পানিতে শরীর ভেজাতে। দুপুরের প্রচন্ড গরমে রাস্তার পিচও যাচ্ছে গলে।  এই মুহুর্তে প্রয়োজন বৃষ্টিপাত। আর এক পশলা বৃষ্টির জন্য এলাকার মুসল্লীরা করছেন বিশেষ নামাজ আদায়।  কাঙ্খিত বৃষ্টিপাতই কেবল মাত্র পারে জনজীবনের অস্থিরতা কমিয়ে শান্তির সুনশান পরিবেশ নিশ্চিত করা, বৃষ্টিপাতের জন্য মুখিয়ে আছে কোটচাঁদপুর সহ দেশের মানুষ ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here