বড় আঁচড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আগে মাঝে মধ্যে একটি দুটি নিত্যপণ্যের দাম বাড়তো। এখন কোনো পণ্যতেই স্বস্তি নেই। সবকিছুর দাম একসঙ্গে বাড়লে মানুষ যাবে কোথায়?’তবে কোনো সংকট না থাকলেও দাম বাড়ছে বলে জানান বেনাপোলের ডিম বিক্রেতা আব্দুল সালাম। তিনি বলেন, আমরা যশোর থেকে ডিম নিয়ে এসে এখানে বিক্রি করি। ডিমের কোনো সংকট নেই। যশোর জেল রোড এলাকার ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের আড়তদার সিরাজুল ইসলাম বলেন, যশোরের অভ্যন্তরে যে ডিম উৎপাদন হয়, স্থানীয় চাহিদা পূরণে তা কম নয়। এর পাশাপাশি খুলনা ও পাবনা থেকেও পর্যাপ্ত ডিম আসছে বাজারে। তারপরও ডিমের দাম কেন বাড়ছে তা তারা জানেন না।একই কথা জানান নাভারন বাজারের ডিমের আড়তদার কামাল হোসেন। এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সৈয়দা তামান্না তাসনীম জাগো নিউজকে বলেন, হঠাৎ করে ডিমের বাজার অস্থির করে তোলা হয়েছে। কিছু ডিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেট করে ডিমের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাচ্ছি। শার্শা-বেনাপোলের ডিমের বাজারে অভিযান চালানো হবে। আশা করছি খুব দ্রুত ডিমের দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।