কালীগঞ্জে সরকারি গাছ কেটে গায়েব করে দিলেন সহকারী প্রকৌশলী 

0
210
স্টাফ রিপোর্টার কালীগঞ্জ,(ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের মধ্যে অবস্থিত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থাকা প্রায় ২০ বছরের পুরাতন একটি মেহগুনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে  সহকারী প্রকৌশলী জেসমিন আরার বিরুদ্ধে । মাস খানেক আগে এই কর্মকর্তা সুবিধামতো সময়ে প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা মূল্যের মেহগুনি গাছটি কাউকে কিছু না জানিয়ে সরকারি নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গায়েব করে দিয়েছেন বলে জানা যায়।সুচতুর এই  কর্মকর্তা মেহগুনি গাছের গুড়ি কেটে মিশিয়ে দিয়েছেন কংক্রিটের ঢালাই এর সাথে, যাতে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে যেন বোঝা না যায় এখানে পূর্বে একটি গাছ ছিল।  খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরের হল রুমের সাথে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পুরাতন ভবনের পেছনে একতলা নতুন ভবনের সামনে দুইটি মেহগুনি গাছ ছিল। যার একটি প্রাচীর ঘেষা, অপরটি প্রধান ফটকের সামনে। প্রধান ফটকের সামনে থাকা গাছটি কেটে ফেলেন সহকারী প্রকৌশলী। গাছ কাটার ব্যাপারে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ের একাধিক স্টাফের সাথে কথা বললেও তারা জেসমিন আরার ভয়ে কেউই মুখ খুলতে রাজি না হলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গাছ থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মেহগুনি গাছের ব্যাপারে জানতে চেয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নৈশপ্রহরী অমরেশ কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মেহগুনি গাছ ছিল, মাস খানেক আগে গাছটি কেটে ফেলছে কে বা কারা তা আমি জানিনা। এ ব্যাপারে  ভালো জেসমিনা আরা স্যার বলতে পারবেন। তবে রাতের বেলায় গাছ কাটা হয়নি। সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে অভিযুক্ত কালিগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জেসমিন আরাকে গাছ কেটে গায়েব করে দেওয়ার অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন,গাছ কাটার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।ব্যাপারটি আমি দেখবো, আপনি অফিসে আসেন আপনাকে সাথে নিয়েই দেখবো  । সরকারি বিধি মোতাবেক গাছ কাটা হয়েছে কিনা এবং অফিসের সামনে থাকা গাছ গায়েব হয়ে যাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কালীগঞ্জ থানায় কোন জিডি করেছেন কিনা  জানতে চাইলে তিনি তা কৌশলে এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কার্যালয়ের সামনে থাকা মেহগুনি গাছটি কবে, কখন, কে, কিভাবে কেটেছে সে ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমি অধিদপ্তরের কর্মকর্তার সাথে এ ব্যাপারে কথা বলবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here