মনিরামপুর শেষ মুহুর্তে জমে ঊঠেছে কুরবানি পশুর হাট

0
249

জাহিদ,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ- মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট।প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে হাট বাজারগুলোতে গরু, ছাগলসহ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উচড়ে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। এদিকে, বাজারে সরবরাহ বাড়লেও আগের বছরের চেয়ে বেশি দামে গরু কিনে কিছুটা হতাশ ক্রেতারা। ছোট ও মাঝারি গরুই বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার পৌর শহর ছাড়াও নেহালপুর,রাজগন্জে পশুর হাট বসেছে। প্রখর রোদের মধ্যেই চলছে বেচাকেনা। বাজারে গরুর সরবরাহ বেশি ও ক্রেতার সংখ্যাও ভালো থাকায় সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় হাটগুলো। গরু ব্যাবসায়ী আঃ মজিদ বলেন, পূর্বের দুই-তিন হাটের চেয়ে আজ নতুন গরুর হাটে আসাতে বাজার ঊর্ধ্বমুখী। এতে ক্রেতারা খুশি না হলেও খামারি ও বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে। শনিবার যে গরুর দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা, সে গরু এখন ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই পশুকে খাওয়ানো ও রাখার বিষয়টি ঝামেলা মনে করে শেষ দিকে গরু কিনছেন। তাই এখন ক্রেতার সংখ্যাও বেশি।  প্রথম দিকে গরুর বাজার দেখে হতাশ হয়েছিলাম। শেষ মুহূর্তে বাজার কিছুটা ভালো, তবে গত বছরের তুলনায় বিক্রি কম হচ্ছে। মনিরামপুর পৌর শহরের হাফিজুর বলেন,এ বছর গরুর দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। ভাগাভাগি করে একটি গরু ১ লাখ টাকা দিয়ে কিনেছি। শেষ মুহূর্তে গরুর সরবরাহও যেমন বেশি, তেমনি দামও বেশি। এদিকে রাজগন্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দেশি গরুতে বাজার সয়লাব। বিক্রেতারা বড় গরুর দাম হাঁকছেন এক থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া সর্বনিম্ন ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায় মিলছে গরু। সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যাও। বেচাকেনাও হচ্ছে বেশ। তবে ছাগল তুলনামূলক কম বিক্রি হতে দেখা গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here