মনিরামপুর ঈদকে সামনে রেখে ব্যাস্ত সময় পার করছে কর্মকার শিল্পীরা

0
149

জাহিদ,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ- আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে ঘিরে মনিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কর্মকার শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসবের অন্যতম ঈদুল আযহা। আর মাত্র একদিন পরেই কুরবানির ঈদ। এই ঈদের অন্যতম কাজ হচ্ছে পশু কুরবানি করা। ঈদুল আযহাকে ঘিরে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরি করতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কামার শিল্পের কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কয়লার দগদগে আগুনে লোহাকে পুড়িয়ে পিটিয়ে তৈরি করছেন ছুরি, বটি, দা, চাপাতিসহ ধারালো সামগ্রী সরঞ্জাম। শেখপাড়া খানপুর গ্রামের সুশান্ত কর্মকার সহ আরো অনেকে কর্মকার দোকানে গেলে তারা জানান, মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা আল্লাহকে রাজি করতে পশু জবাই করে থাকে। এই পশু জবাইয়ের জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি। মাংস কাটা ও কুরবানির পশু জবাই করার বিভিন্ন ধাপে ছুরি, দা, চাপাতি  ব্যবহার করা হয়। তবে এসব তৈরিতে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি। পুরানো সেই বাব দাদার আমল থেকেই নিয়মেই এখনো চলছে আগুনে পুড়িয়ে লোহা হতে ধারালো নানা সামগ্রী সরঞ্জাম তৈরির কাজ। তাই পশু কুরবানিকে কেন্দ্র করে কামার শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দগদগে আগুনে গরম লোহা ঢক ঢং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে কর্মকারদের কারখানা কুরবানি ঈদে শত শত গরু,খাসি, ভেড়া,ইত্যাদি পশু কুরবানি করা হয়ে থাকে। এসব পশু জবাই থেকে শুরু করে রান্না পর্যন্ত পর্যন্ত দা-বঁটি, ছুরি,চাপাতি ইত্যাদি হাতিয়ার প্রয়োজন হয়ে থাকে। ঈদের আগেই পশু জবাই করার ছুরি, চাপাতি,প্লস্টিক ম্যাট, চাটাই, গাছের গুঁড়িসহ সবকিছু প্রস্তুত রাখতে হয়। বিভিন্ন সময় এসবের চাহিদা কম থাকলেও কুরবানির পশুর জন্য বেশি প্রয়োজন হওয়ায় সকলেই এখন ছুটছেন কামারদের কাছে। আর এতেই এক মাসে পেশাটি জমজমাট হয়ে উঠে।এসব সামগ্রী তৈরির উপকরণ কয়লা ও লোহার দাম বেশি হওয়ায় লাভের পরিমাণ কমে গেছে। ঘরে থাকা দা, বঁটি, ছুরিতে মরিচা থাকায় শান দিতে নিয়ে ছুটে আসে। তবে অনেকে নতুন কুরবানী দিচ্ছেন তারা নতুন সামগ্রী কিনতেও দেখা গেছে। তবে কুরবানী ঈদের পরে তাদের দেখা আর তেমন মিলবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here