প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জনউদ্যোগ যশোর আজ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, শনিবার, সকাল ১১.৩০
মিনিটে, বাবলাতলা ভৈরব নদের পাড়ে জনউদ্যোগ যশোরের আহবায়ক
প্রকৌশলী নাজির আহমদের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন
করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের ভৈরব নদ থেকে বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙনে
ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন
জনউদ্যোগ সদস্য বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র যশোর জেলা
কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা মাহবুবুর রহমান মজনু,
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রবীন সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা
রুকুনউদ্দৌলাহ, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক সুরাইয়া শরীফ,সদস্য
অ্যাডভোকেট সৈয়দা মাসুমা বেগম, আইইডি যশোর কেন্দ্রের
ব্যবস্থাপক বীথিকা সরকার, সদস্য সচিব কিশোর কুমার কাজল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তবে বলা হয় ভৈরব নদের তীরের পুরাতন কসবা
ঘোষপাড়া ও রায়পাড়া, বাবলাতলা সেতুর উত্তর ও দক্ষিণ পাশে অন্তত দুই
কিলোমিটার এলাকায় ভূমি ধসে গেছে। আধা পাকা ও পাকা বাড়িঘর,
পৌরসভার পয়োনিস্কাশন নালা, খালি জমি, সীমানা প্রাচীরসহ
বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে গেছে অসংখ্যা বাড়িঘর নদের মধ্যে ভেঙে
পড়েছে। এর মধ্যে নবনির্মিত ভবনও রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি
ভৈরব নদে স্রোত নেই। ৫০ বছরের মধ্যে কেউ নদী ভাঙতে দেখেনি। চার বছর
আগে ভৈরব নদ খননের সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রভাবশালী
ব্যাক্তির যোগসাজেশে একটি চক্র ডেজ্রার মেশিন বসিয়ে বালু
উত্তোলন করে বিক্রি করেন। বালু উত্তোলন করায় ভৈরব নদের ফাঁপা জায়গায়
সৃষ্টি হয়। এবছর লাগাতার বৃষ্টিতে ভৈরব পাড়ের বাসিন্দাদের বাড়িঘর
বিলীন হয়ে গেছে।
জনউদ্যেগের পক্ষ থেকে এই বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে মানবন্ধন, সংবাদ
সম্মেলন ও প্রশাসনকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিলো। যা জাতীয় ও
স্থানীয় গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রশাসন কথা দিয়েছিলো
তারা বিষয়টি দেখবেন। কিন্তু বাস্তবতার নির্মম পরিহাস বালু
উত্তোলনবন্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। যার প্রভাব
বর্তমানে আমরা দেখছি। ভৈরব নদ থেকে বালু উত্তোলনের সময় প্রশাসন
যথাযথা ব্যবস্থা নিলে ভৈরব পাড়ের মানুষগুলোর এই বিপদে পড়তে হতো না।
ঘরবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা হতে হতো না। মাথাগোঁজার শেষ
সম্বলটুকু শেষ হতো না।
ভৈরব নদের গভীর থেকে বালু উত্তোলন পরিবেশ বিপর্যয় মূলক কার্যক্রম।
এগুলো দেখভাল ও বাস্তবায়ন করার জন্য প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী,
পরিবেশ অধিদপ্তর, বি আইডব্লিউটি এ, পরিবেশিক আইন এবং
আদালত ও বিচারব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু তাদেরও দৃশ্যমান কোন কার্যক্রম
পরিলক্ষিত হয়নি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে জনউদ্যোগ যশোর ভৈরব নদ থেকে অবৈধভাবে বালু
উত্তোলনের ফলে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণের দাবি এবং ভৈরব নদ থেকে
অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনী
ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়।















