স্টাফ রিপোর্টার,কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : কিশোরী ফাতেমা, তাসমিম, জীম,এরা তিন বান্ধবী। তারা বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যায়। পরে তাদের মধ্যে ফাতেমাকে মৃত্যু অবস্থায় এবং জীমকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী। কিন্তু আরেক বান্ধবী তাসমিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। দিনভর এলাকার লোকজন চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে খুলনার ডুবুরি দলকে খবর দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের বেথুলী গ্রামের বড় পুকুরে।
ফাতেমা খাতুন (৮) উপজেলার বেথুলী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে ও নিখোঁজ তাসমিম খাতুন (১১) উপজেলার আলাইপুর গ্রামের আব্দুল বারীর মেয়ে। জীবিত উদ্ধার হওয়া জিম খাতুন (১০) বেথুলী গ্রামের মোফাজ্জেল হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১ টার দিকে ফাতেমা, তাসমিম ও জিম নামের তিন কিশোরী গ্রামের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। এ সময় তারা পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত পুকুরে নেমে জিম নামের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়া ফাতেমা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে। সে কয়েকদিন আগে ঐ গ্রামে মামার বিয়েতে এসেছিলো। তাকে উদ্ধারে এখনো স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অভিযান চালাচ্ছে পুকুরটিতে। এমন৷ মর্মান্তিক ঘটনায় আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ পুকুর পাড়ে অবস্থান করছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অন্য একজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।















