জাহিদ,ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ-মনিরামপুর উপজেলাতে অনেক জায়গায় তৃনভূমি এখনো পানিতে নিমজ্জিত হয়ে জলাবদ্ধতা রয়ে গেছে বিচালি সংকটে চরম আকার ধারন করেছে, এ কারনেই লোকসান এড়াতে কম দামে গবাদিপশু বিক্রি করছে কৃষকেরা। আমন ধান চাষাবাদ করে কৃষকের ফসল পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে অনেক আগেই আর কিছু কিছু এলাকাতে ফসল হলেও খড় (বিচালির)সংখ্যা খুবই কম যার কারনে গরুর খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
তাছাড়া গবাদি পশুর খাদ্য হিসাবে পরিচিত বিচালি,ঘাস বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।কৃষকেরা গবাদি পশু পালন করতে হিমশিম খাচ্ছে।মাছনা গ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন,আমার ৪টি গরু এবং ২টি ছাগল রয়েছে আমার ক্ষেতের ফসল প্রায় সব তলিয়ে ধান নষ্ট হয়ে গেছে ঘাস লাগানো ছিলো সেটাও পানিতে তলিয়ে গেছে।আমার গবাদিপশুর খাদ্য নিয়ে পড়েছি চরম সংকটে। বালিধা গ্রামের শরিফুল ইসলাম বলেন, খাবারের অভাবে আমার ৫টি গবাদিপশু সস্তা দামে বিক্রি করে দিয়েছি আমার বাড়ির আশেপাশে এখনো পানিতে নিমজ্জিত।খাবারের অভাবে অনেকে ভাসমান শ্যালার পাতা,কলা গাছের পাতা সহ বিভিন্ন গাছের লতা পাতা কেটে গবাদিপশুকে খাওয়াচ্ছে। বিছালি ব্যবসায়ী জবেদ হোসেন বলেন মনিরামপুরে জলাবদ্ধতার কারনে চৌগাছা,ঝিকরগাছা সহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিছালি কিনে এনে বিক্রি করতে হচ্ছে এজন্যে আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।















