মনিরামপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে অপহরনের অভিযোগ

0
209

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ- যশোর মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে জালাল উদ্দীন নামে এক অবঃ প্রাপ্ত সেনাসদস্যকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অপহরন করার অভিযোগ উঠেছে।এই বিষয়ে মনিরামপুর থানায় ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫তারিখে একটি অভিযোগ হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।মোঃ জালাল উদ্দীন (৫৬), পিতা-মৃত মহাতাপ উদ্দীন গাজী, সাং-মনোহরপুর, থানা-মনিরামপুর, জেলা-যশোর থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। পলাশ (৩৫), পিতা- মৃত রমজান আলী ধাপক, সাং- মনোহরপুর, ২। মোঃ মকবুল (ট্রাক ড্রাইভার) (৫০), পিতা-অজ্ঞাত, সাং-কামালপুর, সাং-মনোহরপুর, থানা-মনিরামপুর, সর্ব জেলা-যশোরসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে লিখিত ভাবে অভিযোগ করিতেছি যে, উল্লেখিত ০১ নং বিবাদী আমার প্রতিবেশী, ০২নং বিবাদী ০১ নং বিবাদীর শ্বশুর। উল্লেখিত বিবাদীদের সহিত বিভিন্ন বিষয় নিয়া পূর্ব থেকে বিরোধ চলমান। উক্ত বিরোধের জের ধরিয়া বিবাদীরা প্রায় আমাকে অপহরন করিয়া নিয়ে ক্ষতি করার হুমকি ও বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদান করিয়া আসিতেছিল। বিবাদীরা বিভিন্ন সময়ে আমার নিকট চাঁদার টাকা দাবি করিত। আমি টাকা দিতে না চাওয়ায় বিবাদীরা আমাকে খুন জখম করিবে বলিয়া বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করিত। সর্বশেষ অদ্য ইং ০২/০২/২৫ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় মনিরামপুর থানাধীন কুমারঘাটা বাজারে আমার নিজ প্রতিষ্ঠানে আসিয়া বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ০২ নং বিবাদীর ইন্দনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে এবং এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারিয়া টেনে হেচড়ে জোর করে মাইক্রোবাসে উঠাইয়া মনিরামপুরের দিকে দ্রুত নিয়ে চলে আসে। পরবর্তীতে বিবাদীরা আমাকে ০২নং বিবাদীর বাড়িতে নিয়া আসিয়া এলোপাতাড়ি মারপিট করিয়া জখম করে এবং তাদেরকে ৫,০০,০০০/- টাকা না দিলে আমাকে খুন করিয়া লাশ গুম করিবে বলিয়া বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে বিবাদী আমাকে মনিরমাপুর থানাধীন সুপার ইট ভাটায় নিয়া যায় এবং ১নং বিবাদী আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে মাথায় কোপ মারিতে উদ্যত হয়। ঐ সময়ে ২নং বিবাদী তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার বুকে পিঠে এবং হাতের বাহুতে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করিয়া গুরুতর রক্ত জমাট জখম করে। পরবর্তীতে বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা লোহার রড়, জি আই পাইপ দিয়ে আমার সর্বশরীরে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিক করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে। ঐ সময়ে বিবাদীরা আমাকে হুমকি দিয়া বলে তাদেরকে ৫,০০,০০০/- টাকা না দিলে আমাকে খুন করিয়া লাশ গুম করিয়া দিবে। পরবর্তীতে বিবাদীরা আমার নিকট থেকে ১০০ টাকার তিনটি ফাঁকা ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়া নেয়। এরপর বিবাদী আমার চোখ, মুখ বাধিয়া উক্ত ইট ভাটার পাশে ফাঁকা জায়গায় রাখিয়া চলিয়া যায়। এ বিষয়ে মনিরামপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ গাজী বলেন ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্হা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here