চুড়ামনকাটি (যশোর) প্রতিনিধি : আপনাদের সাথে যা হয়েছে তা আইয়ামে জাহেলিয়া
যুগের ববর্রতাকেও হার মানিয়েছে। আপনাদের শান্তনা
দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই। সকালে স্কুলে যাবে এমন বই
খাতাও নেই ছেলে মেয়েদের সব পুড়িয়ে দিয়েছে
দুবৃর্ত্তরা। মায়ের সামনে কোলের শিশুর গলায় ধরা হয়েছে
রামদা। আপনাদের পাশে আমি ও আমার দল বিএনপি আছে।
আপনাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমার পক্ষ থেকে সর্ব্বোচ
চেষ্টা থাকবে। আপনাদের মাঝে এখনো চরম আতংক বিরাজ
করছে।বৃহস্পতিবার যশোর সদরের হৈবতপুর ইউনিয়নের বড়
হৈবতপুর ও চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের আব্দুলপুর দুই
গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের
খোঁজ খবর নিতে সকালে তাদের বাড়িতে গিয়ে খুলনা
বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম
অমিত এ কথা বলেন।
এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে তিনি আরো বলেন, যারা
এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে সে যে দলেরই হোক না
কেনো তাদের কঠিন বিচার হবে।অপরাধদের স্থান
বিএনপিতে নেই। বিএনপি মানেই শান্তির দল।তিনি
সবাইকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনাদের
প্রতি যারা এই জুলুম চালিয়েছে তাদের স্থান বিএনপিতে
না তাদের স্থান হবে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে।দলীয়
নেতাকর্মীদের তিনি ক্ষতি গ্রস্থ পরিবারের সার্বিক
সহযোগীতার নির্দেশ দেন।
তিনি এসময় আরো বলেন, আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীরা
এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিভিন্ন পথ অবলম্ব করছে। আর
তাদের সাথে আমাদের দলের কিছু কুলাঙ্গার এদের সাথে
যোগ দিচ্ছে। সবাইকে এমন সন্ত্রাসীদের থেকে সজাগ
থাকতে হবে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সবাইকে
পুলিশের সহযোগীতার পরার্মশ দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব
আনছারুল হক রানা, থানা বিএনপির সাংগঠনিক
সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, থানা বিএনপি নেতা ইদ্রিস আলী
,হৈবতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান,
সাধারন সম্পাদক মাহবুর রহমান, সাবেক সভাপতি রবিউল
ইসলাম রবি, চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ
সম্পাদক মাস্টার মিজানুর রহমান,থানা যুবদলের যুগ্ম
আহবায়ক তানভির রায়হান তুহিন,থানা ছাত্রদলের সদস্য
সচিব পিকুল হোসেন, সহ-সভাপতি ওলিয়ার রহমান,
রফিকুল ইসলাম, যুবদলের সভাপতি মাসুদুর রহমান, বিএনপি
নেতা মাস্টার শিমুল হোসেন, কাশিমপুর ইউনিয়ন
বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান মিলন, হৈবতপুর
ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আক্কাচ আলী প্রমূখ।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে আব্দুলপুর ও
বড় হৈবতপুর গ্রামবাসীর মধ্যে সংর্ঘষ হয়। এতে ৫ জন
আহত হয়। এই ঘটনার জের ধরে বুধবার সকালে আব্দুলপুর
গ্রামের কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়
দুবৃর্ত্তরা। এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
আতংকে এখনো দু’গ্রামের শত শত মানুষ গ্রাম ছেড়ে
পালিয়ে বেড়াচ্ছে হামলা মামলার ভয়ে। গোটা এলাকায়
এখনো অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে।
Home
যশোর স্পেশাল হৈবতপুর ও আব্দুলপুরের ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাড়ালেন অমিত, আপনাদের প্রতি যারা এই...















