নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায়
অনলাইন জুয়ার বিষয়ে আলোকপাত করেছেন পুলিশ
সুপার রওনক জাহান। সম্প্রতি শার্শায় অনলাইন জুয়া
চক্রের ৭ জনকে আটক করার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে
আসে। তিনি বলেন, আমরা সাইবার টিমকে পূর্ণ
গঠন করেছি। জুয়ার ওয়েব সাইড নিয়ে কাজ করছি।
জুয়ার সাথে নারী কেলেংকারিরলিংক থাকেঅনেকসময়।
আমরা সেটা নিয়েও কাজ করছি। অনলাইন জুয়ায় শহর ও
গ্রামের কিশোর যুবক ও বৃদ্ধরা জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে
অভিযোগ তোলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
দেলোয়ার হোসেন খোকন ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের আহবায়ক রাশেদ খান।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার
জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন সভাপতি
সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় যে মানুষটি মারাযায়
সেই মানুষটা আপনার জেলার। গাড়িআপনার জেলার নাও
হতে পারে। সড়ক মহাসড়কে গাড়ির অতিরিক্ত
গতিনিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বাস মালিক সমিতির
দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বাস মালিক সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান বাবলু
বলেন, মহাসড়কে ত্রি হুইলারের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
মহাসড়কে বাসের গতি থাকে ঘন্টায় ৭০ কিলোমিটার
। এছাড়া সড়কে কিশোররা বেপরোয়াভাবে মটরসাইকেল
চালায়। বেপরোয়াগতির কারণেও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
থাকে।
যশোর চেম্বর অবকমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সভাপতি
মিজানুর রহমান খান বলেন, রাস্তায় যাত্রী তুলতে তুলতে
বাস যায়। পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌছাতে
গতিতে গাড়ি চালাই। গাড়ির উচ্চ গতি নিয়ন্ত্রণ
করতে মালিক সমিতির কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার বলেন, গাড়ির উচ্চ গতি
নিয়ন্ত্রণের জন্য হাইওয়ে পুলিশ না বরং মালিক
সমিতিকে দায়িত্ব নিতে হবে।এছাড়া, নারী ও শিশুর
প্রতি সহিংসতার বিষয়ে মামলা রেকর্ডের তাগিদ দেন
পুলিশ। তিনি বলেন, এই রেকর্ডকৃত মামলাগুলো
পরবর্তীতে বিচারের মাধ্যমে রায়হবে। মামলা রেকর্ড হলে
অপরাধ প্রবণতা কম হবে।
প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন
বলেন, বাস মালিক সমিতি ও পুলিশ সুপার মিলে
আশেপাশে জেলার প্রশাসন ও সমিতির নেতাকর্মীদের
নিয়ে জরুরি মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। এক
জেলার বাস অন্য জেলায় গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটায়। এ
বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।
এসময় বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।















