ডুমুরিয়ার চুকনগরে এক কৃষকের জমি থেকে জোর পূর্বক ধান তুলে নেয়া চেষ্টা কালে পুলিশের হস্তক্ষেপে পন্ড

0
163

চুকনগর (ডুমুরিয়া) প্রতিনিধি : ডুমুরিয়ার চুকনগর প্রতিপক্ষ সাকের আলি খাঁয়ের গংদের বিরুদ্ধে এক কৃষককের মাঠে থাকা কাটা ধান তুলে নেয়ার চেষ্টা কালে ভুক্তভোগী গং আজিজুর খাঁ কতৃক পুলিশের বিশেষ জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর ফোন করলে তড়িৎ গতিতে পুলিশ ঘটনা স্থল পৌঁছুলে তা পন্ড হয়ে যায়। এই ধান তুলে নিতে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ উঠেছে আটলিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আঃ মালেকের বিরুদ্ধে।গতকাল বুধবার সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের মালতিয়া মৌজায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ধান গুলো সাময়িক ভাবে ইউপি সদস্য মাওলানা মোঃ মতিয়ার রহমানের জিম্বায় রাখতে বলে পুলিশ। ভুক্তভোগী এবং স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,ডুমুরিয়া উপজেলার মালতিয়া মৌজাধীন এসএ খতিয়ান নম্বর ৩৮৩,৬৫৮,৮৪৩, ৮৪৫,৮৪৬ যাহা বিআরএস ৭১৮,৭২২ ও ৭২৩ খতিয়ানে ৪.৫৯,৭৫ একর জমি বাদী আবু বক্কার সিদ্দিকী গংদের পৌত্রিক ও কবলা দলিল মুলে রেকর্ডীয় মালিক। হালসন খাজনা পরিশোধসহ শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগদখলকার রয়েছেন। শত বৎসর যাবত দখলে থাকা জমি প্রতিপক্ষ সাকের আলি খাঁ গং জবর দখল করতে তারা পায়তারা চালিয়েছে। প্রতিপক্ষ সাকের খাঁ’র ছেলে খায়রুল ইসলাম ও স্থানীয় কৃষক দলের সভাপতি আব্দুল মালের নেতৃত্ব ২০/২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ লাঠিয়াল বাহিনী অর্তকিত ভাবে ক্ষেতের মধ্যে অনাধিকার প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধানে তুলে নেয়ার চেস্টা করে। এসময় ভুক্তভোগীর পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করলে পুলিশের হস্তক্ষেপ তা পন্ড হয়ে যায়। জানা গেছে সাকের আলি খাঁ গং উক্ত জমির মালিকানা দাবী করে ডুমুরিয়া সহকারী জজ আদালতে ৩৬৯/২০১০ নম্বর দেওয়ানী মামলায় রায়ের বিপক্ষে জেলা জজ আদালতে ১৮/২৫ নম্বর একটি আপিল মামলা রুজু করেন ভুক্তভোগী গং বাদী হাফেজ আবু বক্কার সিদ্দিকী। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিষেধাজ্ঞা দেন। কিন্তু আদেশ অমান্য করে জোর পূর্বক জমি দখল নিতে ভুক্তভোগীর কেটে রাখা ধান তুলে নেয়ার চেস্টা করে। ঘটনা প্রসংগে কৃষকদল নেতা আব্দুল মালেক বলেন পুলিশ যাওয়া মাত্র ভুল বুঝতে পেরে লোকজন নিয়ে ঘটনা স্থল থেকে ফিরে আসি।
খায়রুল ইসলাম বলেন আমরা রায় পেয়েছি।সে জন্য ধান তুলে নেয়ার চেষ্টা করেছি। এবিয়ষে মাগুরাঘোনা ফাঁড়ির সহকারী ইনচার্জ এএসআই রবিউল ইসলাম জানান তর্কিত জমির ধান ধানগুলো স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমানের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে ভুক্তভোগী জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here