শহিদুল ইসলাম:- যশারের শার্শা উপজলার শার্শা- নাভারন – সাতক্ষীরা মহাসড়কের দু পাশে মৃত প্রায় অর্ধশত রােড রেন্ট্রি শিশু গাছ দীর্ঘ দিন ধরে ঝুকি পূর্ণ হলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কােন নজর নেই। অবিলম্বে এসব অর্ধ মৃত বা পরিপূর্ন মৃত গাছ গুলি অপসারন না করলে যে কােন মুহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। হতাহত হতে পারে পথের যাত্রি বাহী বাস, ট্রাক, নছিমন, করিমন,জে এস এ ও ইজি বাইকের যাত্রীরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক বার সংবাদ প্রকাশ করা হলেও কােন প্রতিকার হয়নি। যে কারনে হালকা ঝড় বা হাওয়া হলেই এসব মরা গাছের পঁচা ডাল রাস্তার উপর ভেঙ্গে পড়ে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে। ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে বিভিন্ন যান বাহন ও পথচারী সাধারন মানুষ। সরেজমিন দেখা গেছে নাভারন বাজার, শার্শা থানা সদর ও উলাশী বাজার মৃত গাছগুলি সব থেকে বেশি ঝুকিপূর্ন। এ জন্য নাভারন, শার্শা ও উলাশীত যে কােন মুহুর্তে পাকা রাস্তার উপর মরা গাছের ডাল পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে । বিষয়টি স্থানীয়রা বার বার প্রশাসনকে জানানাে সত্বেও তাদের টনক নড়ছে না। এসব মরা গাছ কাটার দাবীতে একাধিক বার মানব বন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।
শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মােস্তফা কামাল মিন্টু বলেন গত ৩শ বছরের পুরানাে মরা গাছগুলাে অপসারন না করলে মরা গাছের ঐ ডাল ভেঙ্গে পথচারীদের মাথায় পড়লে সে মারা যাবে।তিনি গাছ গুলাে কাটার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শার্শা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব খায়রুজ্জামান মধু বলেন যশাের-শার্শা, নাভারন – সাতক্ষীরা মহা সড়কের দু পাশ মৃত ও অর্ধ মৃত প্রায় অর্ধশত ঝুকিপূর্ণ গাছ গুলাে অপসরন এখন সময়ের দাবী। তিনি বলেন যে কােন মুহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে । তিনি বলেন শার্শা বিএনপি অফিসের সামনে ও থানার সামনে রাস্তায় দুটি গাছ বেশি ঝুকির মধ্যে রয়েছে। যা জরুরী ভাবে ঐ মরা গাছের ডাল কাটা দরকার।
এ ব্যাপার জানতে চাইলে যশাের জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার এম এ মঞ্জু বলেন উদ্ধর্তন কতৃপক্ষ অনুমােদন দিলে খুব দ্রত ভাবে ঝুপিূর্ণ ও মৃত ও অর্ধমৃত গাছ গুলি অপসারন করা হবে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাঃ কাজী নাজিব হাসান, বলেন শার্শা উপজেলা বেনাপাল ও নাভারন -সাতক্ষীরা মহাসড়কের দু পাশ মৃত বা অর্ধ মৃত রােড রেন্ট্রি শিশু গাছের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহাদয়কে অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন খুব দ্রত ভাবে প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।















