✍️রাসেল মাহমুদ : যশোর-খুলনা মহাসড়কের রূপদিয়া অংশ বর্তমানে পরিণত হয়েছে ভয়াবহ মৃত্যু ফাঁদে। পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের। ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও যানবাহনের চালকসহ জনসাধারন। এই সড়ক নিয়ে পড়তে হয়েছে উভয় সংকটে। বর্ষা হলে সৃষ্ট গর্তগুলোতে পানি জমে চলাচলে আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে, আবার শুকনোর দিনে ধুলোর ঝড়ের মধ্যে পথ চলাচল হয়ে পড়ে দুঃসহ। এর ফলে ছোটবড় দুর্ঘটনা নিত্যদিনের। বিশেষ করে যানবহন গুলো রাতের আঁধারে চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন শত শত যান চলাচল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটি নিয়ে উদাসীন। রূপদিয়া বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল খালেক জানান,“গর্তে পড়ে অনেক সময় ট্রাক, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহন উল্টে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এতে করে মালামালের ক্ষতি হচ্ছে।”একই অভিযোগ করেন পথচারী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন,“প্রতিদিন গর্ত এড়িয়ে চলাচল করতে বেগ পোহাতে হয়। কোথায় কতটা গভীর গর্ত, বোঝার কোনো উপায় নেই। পানি ভর্তি গর্তে পড়ে ছোটবড় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা নিত্যদিনের। সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন,“মহাসড়কের এই অংশ মেরামতের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই সংস্কারকাজ শুরু হবে। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—“এই ‘শিগগিরই’ কথাটি তো আমরা বছরের পর বছর ধরে শুনে আসছি! বাস্তবে কাজ কবে শুরু হবে? এ নিয়ে রয়েছে সংশয়! তারা অবিলম্বে মহাসড়কের রূপদিয়া অংশে গর্ত মেরামত, বিকল্প রুটে যান চলাচলের ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড ও রাতের জন্য আলো ব্যবস্থার দাবি করেন।















